চিকিৎসকের গাড়িচালক কুদ্দুস হত্যায় জড়িতরা আটক হয়নি

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোরে চিকিৎসকের গাড়িচালক আব্দুল কুদ্দুস হত্যাকা-ের দুদিন পার হয়ে গেলেও জড়িত সন্ত্রাসীদের আটক করতে পারেনি পুলিশ। হত্যার ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকেও কোতয়ালি থানায় কোনো এজাহার দাখিল করা হয়নি।
পুরাতন কসবা এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা জানান, আব্দুল কুদ্দুস হত্যাকা-ে জড়িত পুরাতন কসবা লিচুবাগান এলাকার পাইপ শফি, স¤্রাট ও ঢাকা রোড এলাকার সেলিম চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত। তাদের সাথে চলাফেরা করতেন নিহতের ছেলে বিপ্লব। পাওনা টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ওই সন্ত্রাসীদের হাতে খুন হয়েছেন যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক শরিফুল আলম খানের ব্যক্তিগত গাড়ির চালক আব্দুল কুদ্দুস। বাবাকে রক্ষা করতে গিয়ে এ সময় গুরুতর জখম হন বিপ্লব।
এদিকে আব্দুল কুদ্দুস হত্যাকা-ের দুদিন পার হয়ে গেলেও জড়িত সন্ত্রাসী পাইপ শফি, সেলিম ও স¤্রাটকে আটক করতে পুলিশ। ওই সন্ত্রাসীরা আটক না হওয়ায় এলাকাবাসীর মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। যোগাযোগ করা হলে কোতয়ালি থানা পুলিশের ইনসপেক্টর (তদন্ত) শেখ তাসমীম আলম জানান, টাকা সংক্রান্ত দ্বন্দ্বে আব্দুল কুদ্দুস খুন হয়েছেন বলে তারা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছেন। জড়িতদের আটকের চেষ্টা চলছে। তিনি আরও জানান, হত্যার ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত কোনো এজাহার দাখিল করা হয়নি। উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার বিকেলে শহরের পুরাতন কসবা ঘোষপাড়া মসজিদের কাছে পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে ডেকে এনে আব্দুল কুদ্দুসকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। এ সময় তাকে রক্ষা করতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে গুরুতর জখম হন তার ছেলে বিপ্লব। একটি সূত্র জানায়, আব্দুল কুদ্দুস সদর উপজেলার নওদাগা গ্রামে বসবাস করলেও তার আসল বাড়ি ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার বলাবাড়িয়ার খাঁ পাড়ায়।

ভাগ