জি-৩ রুই মাছের নতুন জাত উদ্ভাবন

0

স্টাফ রিপোর্টার ॥ জি-৩ রুই মাছের নতুন এক জাত। হালদা নদীর রুই মাছ থেকে প্রযুক্তি ব্যবহারে তিন বার জেনেটিক পরিবর্তন করে এ জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে। জি-৩ রুই হরমন বাদেই দ্রুত বর্ধনশীল, কম খাবার খায়, পুষ্ট বেশি ও দেখতে উজ্জ্বল। আর স্বাদ দেশীয় রুই মাছের মতো। এসব তথ্য উঠে এসেছে যশোরে মৎস্য চাষিদের প্রশিক্ষণ কর্মশালায়। শনিবার স্থানীয় একটি হোটেলে এম ওয়ার্ল্ড এর আয়োজনে ‘এগিয়ে চলি’ প্রকল্পের কর্ম পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এ প্রকল্পের আওতায় জি-৩ রুই জাত চাষাবাদে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করা হবে। যৌথভাবে ফিড দ্য ফিউচার, ইউএসআইডি এবং ওয়ার্ল্ড ফিশ প্রকল্প বাস্তবায়ন ও অর্থায়ন করবে।
এম ওয়ার্ল্ড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. ফাতেমা জান্নাত জানান, জি-৩ রুই জাতটি উদ্ভাবন করেছে ওয়ার্ল্ড ফিশ। এটি স্বাস্থ্যসম্মত ও দ্রুত বর্ধনশীল। মাছ চাষি জি-৩ রুই চাষ করে লাভবান হবেন। আর ভোক্তারা হরমন বাদে রুই মাছ খেতে পারবেন। কর্মশালায় ৪০ জন হ্যাচারি, নার্সারি ও বিভিন্ন পর্যায়ের মৎস্যচাষি অংশ নেন। আলোচনা পর্বে বক্তব্য রাখেন, যশোর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আনিসুর রহমান, সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ^জিৎ কুমার দেব, মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট যশোরের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম, বিশিষ্ট মৎস্যচাষি ফিরোজ খান, এম ওয়ার্ল্ডের সিইও ডা. কাজী ফয়সাল মাহমুদ প্রমুখ।