বিএম আসাদ ॥ উন্নয়ন বিড়ম্বনায় যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। ওয়ার্ডের মেঝেতে মোজাইকের উপর এবার টাইলস বসানোর সময় ব্যাপক শব্দ হওয়া এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রোগী রাখার কারনে এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিয়েছে। গণপূর্ত বিভাগ সূত্র জানিয়েছেন, যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে করোনা ওয়ার্ড তৈরি জানালায় থাইগ্লাস লাগানো ওয়ার্ডে আগে ছিল পাথরের মোজাইক, এখন তার উপর টাইলস বসানো হচ্ছে। বসানো হচ্ছে একটি গভীর নলকূপ এ কাজ বাস্তবায়নে সরকারি বরাদ্দ রয়েছে প্রায় ৭০ লাখ টাকা। হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছেন, এসব কাজের ভেতর টাইলস বসানোর ক্ষেত্রে শুরু হয়েছে যন্ত্রণা। ওয়ার্ডের এক জায়গা থেকে বেড ও রোগী সরিয়ে পাশে রাখা হচ্ছে। অনেক রোগী রাখা হয়েছে, ২য় তলার ওভার ব্রিজের ওপরে। যেখনে বৈদ্যুতিক ফ্যান, ও আলোর ব্যবস্থা নেই। একেবারেই প্রাকৃতিক পরিবেশে খোলা জায়গায় মানুষের চলাচলের পথে রাখা হয়েছে রোগী। এ অবস্থায় টাইলস মেশিন দিয়ে কাটা ও মেঝেতে লাগানোর সময় প্রচন্ড শব্দ হচ্ছে। এতে হাসপাতালের রোগীরা এক দিকে যেমন অসুস্থ অন্যদিকে শব্দ দুষণ যন্ত্রণায় ভুগছেন। প্রচন্ড শব্দ এবং রোগীর ভীড়ে তাদের কান ঝাঁলা-পালা হয়ে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে অসুস্থ রোগীরা আরো অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। হাসপাতালের ভবনে উন্নয়ন করতে গিয়ে সেখানে দেখা দিয়েছে বিড়ম্বনা। যা রোগী ও দর্শনার্থীদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। রোগী ও দর্শনার্থী জানিয়েছেন, হাসপাতাল হবে অসুস্থ রোগী সুস্থ করার জন্য নির্মল পরিবেশের জায়গা। অথচ এখানে এসে নানান সমস্যার অক্টোপাশে আটকা পড়ে ঝুঁকির ভেতর সময় কাটছে তাদের। এতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যেন মাথা ব্যথা নেই। রোগীর সমস্যার সমাধানকল্পে নীরব রয়েছেন তারা। এব্যাপারে আরএমও ডাঃ মোঃ আরিফ আহমেদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি রোগীদের বিড়ম্বনার কথা স্বীকার করে বলেন, আমরা জানি, রোগীদের সমস্যা হচ্ছে। এটা সাময়িক। হাসপাতালের উন্নয়নে যেহেতু সরকারি কাজ হচ্ছে। তাই রোগীদের এ বিড়ম্বনা সাময়িকভাবে সহ্য করতে হবে।





