স্টাফ রিপোর্টার ॥ স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলায় আটক ট্রাকচালক মোস্তাফিজুর রহমান শিমুল বৃহস্পতিবার যশোরের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। প্রকৃত পরিচয় গোপন রেখে নিজেকে আকাশ দাস পরিচয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওই মেয়েটির সাথে প্রেমজ সম্পর্ক গড়ে তুলে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন বলে তিনি আদালতকে জানান। যশোরের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক গৌতম মল্লিক তার জবানবন্দি গ্রহণ শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। আটক মোস্তাফিজুর রহমান শিমুল কেশবপুর উপজেলার বড়েঙ্গা গ্রামের মৃত শেখ আব্দুল মজিদের ছেলে।
জবানবন্দিতে মোস্তাফিজুর রহমান শিমুল বলেছেন, তিনি কেশবপুর উপজেলার গুগলেতলা গ্রামের জনৈক রাফি সাহেবের ট্রাকের চালক। বড়েঙ্গা গ্রামের তুষারের কাছ থেকে তিনি দশম শ্রেণির ওই স্কুলছাত্রীর মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করেন। তিনি তার কাছে নিজেকে আকাশ দাস পরিচয়ে কথা বলেন এবং এক পর্যায়ে দুজনের মধ্যে প্রেমজ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সকালে মেয়েটি কেশবপুরের মঙ্গলকোট ইউনিয়নের পাচারই পার্কে (এসবি গার্ডেনে) তার সাথে দেখা করতে আসে। এদিন দুপুরে পার্কের একটি ফুল গাছের নিচে তার সাথে তিনি শারীরিক সম্পর্ক করেন। এ ঘটনার ১০/১৫ দিন পর দ্বিতীয়বার এবং ২/৩ মাস পর তাদের মধ্যে সর্বশেষ শারীরিক সম্পর্ক হয়। তিনদিন আগে ওই মেয়েটি মোবাইল ফোন করে তার সাথে খুলনার নিউ মার্কেটে দেখা করতে চায়। ফলে তিনি সেখানে তার সাথে দেখা করতে গেলে স্থানীয় লোকজন তাকে ধরে সোনাডাঙ্গা থানায় সোপর্দ করেন। পরে সোনাডাঙ্গা থানার পুলিশ তাকে ডুমুরিয়া থানায় সোপর্দ করে। এরপর সেখান থেকে কেশবপুর থানায় সোপর্দ করা হয়। পুলিশ জানায়, স্কুলছাত্রী ধর্ষণের ঘটনাস্থল কেশবপুর থানা এলাকায় হওয়ায় এখানে মামলা হয়েছে। গত বুধবার কেশবপুর থানায় মামলা রেকর্ডের পর বৃহস্পতিবার মোস্তাফিজুর রহমান শিমুলকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। এ সময় আটক আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।





