ঝিকরগাছা (যশোর) সংবাদদাতা ॥ যশোরের ঝিকরগাছার পল্লীতে দীর্ঘদিন ধরে চলাচল করা রাস্তায় প্রাচীর নির্মাণ করায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। লিখিত অভিযোগের অনুলিপি ঝিকরগাছা সহকারী কমিশনার ভূমি, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, নির্বাসখোলা ইউপি চেয়ারম্যান বরাবরও পাঠান হয়েছে। আবেদন পত্রে ৮৬, যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনের এমপি মেজর জেনারেল (অব.) ডা. নাসির উদ্দিন বিষয়টি খতিয়ে দেখে সমাধানের জন্য সুপারিশ করেছেন।
উপজেলার ৯৮ নং বল্লা (মৌজা) গ্রামের মৃত. ফকির আলী চাঁদের ছেলে সাহেব আলীসহ ৪০ জন গ্রামবাসী স্বাক্ষরিত আভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকার ১০/১২ টি বাড়ির মানুষের দীর্ঘদিন ধরে (ঝিকরগাছা-বাঁকড়া) সড়কে যাওয়ার একমাত্র রাস্তাটি একই গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদিনের ছেলে নজরুল ইসলাম গং সম্প্রতি প্রাচীর নির্মাণ করে বন্ধ করে দিয়েছে। রাস্তাটি আরএস দাগ নং ১৬৯৯ (সরকারি খাস) ১/১ খতিয়ানের থাকলেও ১৯৯০ সালের মাঠ জরিপের সময় গোপনে নজরুল ইসলাম গংরা নিজেদের নামে রেকর্ড করে নিয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। শনিবার সকালে সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গেলে সম্প্রতি প্রাচীর নির্মাণ বিষয়টির সত্যতা মিলেছে। জানতে চাইলে অভিযুক্ত নজরুল ইসলাম বলেন, তিনি তার পৈত্রিক সম্পত্তিতে প্রচীর নির্মাণ করেছেন। সেখানে কোন সরকারি জমি নেই। তাদের সম্পত্তি দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় লোকজন চলাফেরা করতেন বলেও জানান তিনি। তবে তার চাচাতো ভাই মফিজুর রহমান, মোজাফ্ফার হোসেন, প্রতিবেশী ইসলাম মোড়ল সেন্টু মিয়া, আব্দুল হাই, লিটন হোসেন,মর্জিনা বেগম, বিল্লাল হোসেন, লাল্টু মিয়াসহ স্থানীয় বেশ কয়েকজন জানিয়েছেন, উল্লেখিত রাস্তাটি সরকারি এবং দীর্ঘদিন ধরে গ্রামবাসী ওই রাস্তা ব্যবহার করে আসছেন। জানতে চাইলে ঝিকরগাছা সহকারী কমিশনার ভূমি ডা. কাজী নাজিব হাসান ও নির্বাসখোলা ইউনিয়নের নায়েব জাকির হোসেন বিষয়টি সরেজমিন তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নিবেন বলে জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য লিয়াকত আলী জানান, সরকারি রাস্তা হওয়ার কারণে বর্তমান দখলদার নজরুল ইসলামের কথামত ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে রাস্তাটিতে বেশ কয়েকবার মাটি ফেলে প্রসস্থসহ উচু করা হয়েছে।





