জয়দেব চক্রবর্ত্তী, কেশবপুর (যশোর) ॥ কেশবপুর উপজেলার মাদারডাঙ্গা(বড়) গ্রামের সুরঞ্জিত কুণ্ডু শখের বসে কবুতর পালন করে এখন আর্থিক লাভবান হয়েছেন। একই সাথে নতুন নতুন জাতের কবুতর পালন করায় এলাকায় তার ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে। কবুতরের সংখ্যা দুই শতাধিক। তার কবুতর পালন এলাকায় সাড়া পড়েছে। প্রতি জোড়া কবুতর ৬শ থেকে ৮শ টাকা বিক্রি হওয়ায় সুরঞ্জিত তার পরিবার পরিজন নিয়ে আগের থেকে ভালো আছেন। সুরঞ্জিত কুণ্ডু জানান,প্রথমে ৩০টি বিভিন্ন জাতের কবুতর পালন শুরু করেন। এখন কবুতরের সংখ্যা দুই শতাধিক। এদের মধ্যে বিভিন্ন জাতের কবুতর রয়েছে। যেমন, রামপুরি, শিয়ালকুটি, হারে, ব্যানারসি, লালসিরা, চুইনা, চাটওয়ালা, বুধাপেস, কালদম, শনি, দোরাজ জাতের কবুতর রয়েছে। প্রতিদিন তিন বার কবুতরদের খেতে দেন তিনি। খাওয়ার তালিকায় রয়েছে, ধান, গম, কাউন, হেটকে,সরিষা ও বজরা। তাদের জন্যে কাঠের বাসা তৈরি করে রাখা হয়েছে। এদের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রোগ দেখা দেয় যেমন, মালথেনিলা, কাইডোমাইসিস, ডিপথেরিয়া, জ্বর, সর্দি ইত্যাদি রোগ। রোগের লণ অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া হয়ে থাকে। প্রতি মাসে কবুতর বাচ্চা দেয়। প্রতিটা কবুতর ৩৫০টাকা থেকে ৪০০টাকা মূল্যে বিক্রি করা হয়। সুরঞ্জিত জানান, পরিবারে মা-বাবা সবাই কবুতর দেখাশোনা করেন। প্রতিবেশী পূরবী রায় বলেন,সুরঞ্জিত কুণ্ডু কবুতর পালন করায় এলাকাকে আরও পরিচিতি ঘটিয়েছেন। দূর-দুরান্ত থেকে তার এই নতুন নতুন জাতের কবুতর দেখতে ও কিনতে লোক আসেন। কবুতরওয়ালা বাড়ি বলে এলাকায় ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে।




