স্টাফ রিপোর্টার ॥ কর্তৃপক্ষের ভুলের কারণে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালের কর্মচারী মোঃ আব্দুল আলিম চরম বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন। কর্মচারী আবদুল বিভ্রাটের কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে। যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালের প্যাথলজি টেকনিশিয়ান আব্দুল আলিম। হাসপাতালের ওয়ার্ডে ও প্যাথলজি বিভাগে তিনি রক্ত সংগ্রহ করেন পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য। তাকে সবাই চেনেন আব্দুল আলিম বলে। হাসপাতালে আরো একজন ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী রয়েছেন। তার নাম আলিম। আগে ‘আব্দুল’ নেই তার। তাকে কেউ চেনেন না। ওই আলিম নামি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। অথচ, গত ২৩ সেপ্টেম্বর করোনায় আক্রান্ত বলে রিপোর্ট আসে মোঃ আব্দুল আলিমের নামে। রিপোর্টের সিরিয়াল নং হচ্ছে আইডি -ঈ ঈ ১৩০-০৩৮ নং-৪৫। ঠিকানা দেয়া হয়েছে ২৫০ ইঊউউঊউ এ.ঐ. ঔঅঝঐঙজঊ। করোনার নমুনা সংগ্রহের তারিখ ২২ সেপ্টেম্বর। পরীক্ষা হয়েছে ২৩ সেপ্টেম্বর। আব্দুল আলিমের করোনা পজেটিভ রিপোর্ট আসার পর হাসপাতাল এলাকা ছাড়াও অনেকে জানতে পারেন বিষয়টি। এরপরও তিনি প্যাথলজি পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্যে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে যান এবং যত্রতত্র ঘুরে বেড়ান। এ সময় করোনা রোগী হিসেবে খোলামেলা চলাফেরায় বাধার সম্মুখীন হন তিনি। অনেকের কাছে কৈফিয়ত দিতে হয়। আব্দুল আলিম কেন হোম আইসোলেশনে না থেকে বাইরে বের হচ্ছেন? পরিস্থিতি এমন যে অন্যের কাছে জবাবদিহি করতে করতে হিমশিম খাচ্ছেন তিনি। আব্দুল আলিম বলেছেন, তিনি কোনদিন করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা দেননি। তাহলে কেন তার নামে পজেটিভ রিপোর্ট এল?
তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, যে ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন তার নাম আলিম। আর করোনা পরীক্ষা প্রতিবেদনে নাম দেয়া হয়েছে মোঃ আব্দুল আলিম। নামের এ ভুলের কারণে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে গোল বেধেছে। হাসপাতালে নমুনা দেয়ার সময় আলিমের নামের আগে আবদুল জুড়ে দেয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে হাসপাতালের আরএমও ডাঃ মোঃ আরিফ আহমেদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, করোনায় আক্রান্ত আলিম প্যাথলজির আলিম নন। তাহলে আব্দুল আলিমের নাম প্রতিবেদনে এলো কীভাবেÑ এমন প্রশ্নের উত্তরে ডাঃ আরিফ আহমেদ বলেন, নামের ভুল হতে পারে।





