স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুই প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে এবং অপর দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। গতকাল শনিবার সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসারে কার্যালয়ে প্রার্থীদের মনোনয়ন বাছাই অনুষ্ঠিত হয়। বাছাই শেষে সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার মো. হুমায়ুন কবির বিএনপি মনেনাীত প্রার্থী নূর-উন-নবী এবং আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নূর জাহান ইসলাম নীরার প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র ঠিক থাকায় তাদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন। এছাড়া দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও জেলা তাঁতী দলের আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম এবং সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহিত কুমার নাথের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে অসংগতি থাকায় তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন। ঘোষণা শেষে ভোট গ্রহণ ব্যালটে নাকি ইডিএমএ হবে বিএনপি প্রার্থীর এক সমর্থকের এমন প্রশ্নের জবাবে হুমায়ুন কবির বলেন, এখন পর্যন্ত ব্যালটে হওয়ার সিদ্ধান্ত আছে। সিদ্ধান্ত বদল হলে পদ্ধতিও বদলে যাবে। এ সময় বিএনপির পক্ষ থেকে প্রস্তাব করা হয়, ভোট গ্রহণের দিন সকালে ব্যালট পেপার বক্সসহ অন্যান্য সরজ্ঞামাদি কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছে দেয়ার জন্য। এই প্রস্তাবে তিনি বলেন, বিগত একটি নির্বাচনে ভোট গ্রহণের দিন সকাল বেলা ব্যালট পেপার, বক্সসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি পৌঁছে দিয়ে সফলতা পেয়েছি। এখন কমিশন যদি সেই সফলতা কাজে লাগাতে চায় তাহলে এই নির্বাচনেও পূর্বের অভিজ্ঞতা প্রয়োগ করবে। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে অংশ নেন অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন অফিসার আতিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার আব্দুর রশিদ, জেলা ইন্টেলিজেন্ট অফিসার মশিয়ুর রহমান প্রমুখ।
বাছাইকালে বিএনপি প্রার্থী নূর-উন-নবীর সাথে ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকন, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আব্দুস সালাম আজাদ, অ্যাড. হাজী আনিছুর রহমান মুকুল, নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুনীর আহমেদ সিদ্দিকী বাচ্চু, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আজম, যুগ্ম সম্পাদক নূর ইসলাম প্রমুখ। আওয়ামী লীগ প্রার্থী নূর জাহান ইসলাম নীরা বাছাইকালে উপস্থিত ছিলেন না। তবেতার দলের নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। আগামী ৩ অক্টোবর প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিন এবং ২০ অক্টোবর ভোট গ্রহণ।





