স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহ ॥ ঝিনাইদহ-৩ আসনের (কোটচাঁদপুর-মহেশপুর) সংসদ সদস্য অ্যাড. শফিকুল আজম খান চঞ্চলের বাড়িতে চুরির ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কাজের বুয়া মর্জিনা খাতুনসহ চার জনকে মহেশপুর থানায় আনা হয়েছে। এমপি অভিযোগ না দেওয়ায় রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত তাদের আটক দেখানো হয়নি। এরা হলেন-মহেশপুর উপজেলার জলিলপুর মাঠপাড়ার কওছার আলী মন্ডলের মেয়ে মর্জিনা খাতুন, একই গ্রামের নিজাম উদ্দীনের স্ত্রী রোজিনা খাতুন, বদর উদ্দীনের মেয়ে জবেদা খাতুন ও রহমান মন্ডলের ছেলে শফিকুল ইসলাম। তাদের কাছ থেকে চুরি হওয়া একটি মোবাইল ফোন সেট ও বেশ কয়েকটি সোনার নৌকা উদ্ধার করা হয় বলে পুলিশ জানায়। মহেশপুর থানা পুলিশের এসআই আব্দুল জলিল জানান, এমপি অ্যাড. শফিকুল আজম খান চঞ্চলের মৌখিক অভিযোগে কাজের বুয়াসহ চার জনকে থানায় আনা হয়েছে। অভিযোগ না দেওয়ায় তাদের এমপির জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, চুরি হওয়া নৌকাগুলো সোনার না ইমিটেশনের তা বলা যাচ্ছে না।
মহেশপুর থানা পুলিশের ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, কয়েকটি নৌকা সাদৃশ বস্তু ও মোবাইল ফোন চুরি হয়েছিল। সেগুলো পুলিশ উদ্ধার করে ফেরত দিয়েছে। তিনি বলেন, নৌকাগুলো সোনা বা ইমিটেশন কিনা তা পরীক্ষা ছাড়া বলা যাবে না। তবে অসমর্থিক সূত্রে জানা গেছে, উপহার হিসেবে পাওয়া এমপি চঞ্চলের ৭টি সোনার নৌকা বাড়ি থেকে চুরি হয়েছিল। সেগুলো জীবননগরসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্রিও করা যায়। পুলিশ গোপনে সেগুলো উদ্ধার করে ফেরত দিয়েছে। এ ব্যাপারে সংসদ সদস্য অ্যাড. শফিকুল আজম খান চঞ্চলের বক্তব্য জানতে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।




