শিমুল হাসান,লোহাগড়া(নড়াইল)॥নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কোটাকোল ইউনিয়নের তেলকাড়া, ঘাঘা, করগাতি, ধলাইতলা গ্রামে মধুমতি নদী ভাঙ্গনের তীব্রতা ব্যাপকভাবে বেড়েছে। ফলে অসহায় হয়ে পড়ছে অন্তত ১৬ হাজার মানুষ।
সূত্র জানায়, ¯্রােতের তীব্রতা অনেক বেড়ে যাওয়ায় চোখের পলকে বসতবাড়ি-জমাজমি ঢেউয়ের তালেতালে যাচ্ছে নদীতে। কৃষকের স্বপ্ন গিলে খাচ্ছে খর¯্রােতা মধুমতি নদী। মধুমতি নদী বরাবরই খর¯্রােতা। মধুমতি নদীর এক কূল ভাঙ্গে, আরেক কূল গড়ে। এটাই এ নদীর বৈশিষ্ট।
গ্রামবাসীরা জানান, বর্তমান মৌসুমে তেলকাড়া, ঘাঘা, করগাতি, ধলাইতলা গ্রামে নদীর পাড়ে ভাঙ্গন আরো তীব্রতর হয়েছে। বসতবাড়ি বিলীন হচ্ছে নদীতে। তেলকাড়া গ্রামের বাসিন্দা টিটু জানান, প্রায় চার শতাধীক বসতবাড়ি নদী গর্ভে চলে গেছে। গ্রামের মানুষ এখন বাঁশের তৈরী বেড়া দিয়ে গ্রাম রক্ষার চেষ্টা করছেন। তেলকাড়া গ্রামের বাসিন্দা যুবলীগ নেতা প্রবাসী এস,এম মিজানুর রহমান মিজান বলেন, ইতিমধ্যে তেলকাড়া গ্রামসহ নদী পাশর্^বর্তী কয়েকটি গ্রামের চার শতাধীক পরিবার নদী ভাঙ্গনে নিঃস্ব হয়ে গেছে। তিনি নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য ক্রিকেটার মাশরাফি-বিন মর্তুজার জরুরী হস্তক্ষেপ আশা করছেন।
কোটাকোল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বি,এম আসলাম হোসেন টুটুল বলেন, জরুরী পদক্ষেপ না নিলে গ্রামগুলি সম্পূর্ণ নদী গর্ভে চলে যাবে। কোটকোল ইউপি চেয়ারম্যান মারিয়া হোসেন বলেন, তেলকাড়া সহ কয়েকটি গ্রামের মানুষ ভাঙ্গনে কবলে পড়ে এখন দিশেহারা। তিনি দ্রুত ভাঙ্গন প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।#





