সংবাদ সম্মেলনে খুলনা মুক্তি সেবা সংস্থার ম্যানেজারের বিরুদ্ধে এন্তার অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ খুলনা মুক্তি সেবা সংস্থার (কেএমএসএস) যশোর শাখার এরিয়া ম্যানেজার চৌধুরী হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও সহকর্মীদের হয়রানীর অভিযোগ উঠেছে।
গতকাল মঙ্গলবার প্রেসক্লাব যশোরে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির চাঁচড়া শাখার সিও মিন্টু রহমান অনিয়ম, দুর্নীতি ও হয়রানীর চিত্র তুলে ধরেন। এ সময় তিনি বলেন, চাকরিতে যোগদানের সময় প্রতিষ্ঠানের নিয়মানুযায়ী সকলকে সনদের সাথে নিজের এবং অভিভাবকদের সাদা চেক ও স্ট্যাম্প জমা দিতে হয়। এটাকে পুঁজি করে তিনি সহকর্মীদের সাথে খারাপ আচরণ ও নানাভাবে হুমকি-ধামকি প্রদান করেন। যে কারণে অনেক এরিয়া ম্যানেজার চাকরি ছাড়তে বাধ্য হয়। এই সুযোগে তিনি জমাকৃত সাদা চেক ও স্ট্যাম্পে মনগড়া কথা লিখে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। প্রতিষ্ঠানের চাঁচড়া শাখা প্রায় ১০০ জন গ্রাহকের অফিশিয়ালভাবে খাতা-কলমে লেনদেন না থাকলেও বাস্তবে তাদের কাছে প্রায় ১৪ লাখ টাকা পাওয়া যাবে। অফিসের স্টাফদের কাছ থেকে তিনি জোরপূর্বক সেই টাকা আদায় করা আবার স্টাফ এবং সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে হাজারে ১০ টাকা মৃত বীমার নামে গ্রাহকের কাছ থেকে নিয়ে ৫ টাকা জমা দেন এবং ৫ টাকা আত্মসাৎ করেন। চলতি বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত শাখা থেকে তিনি সদস্যদের ৪ লাখ টাকা নিয়ে যান। আবার সেই টাকার জন্য তিনি ম্যানেজার ও কর্মচারীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। চলতি বছরের ৩০ জুনের মধ্যে গ্রাহকদের ২০১৯-২০ বছরের লভ্যাংশের টাকা পরিশোধ না করেই তিনি নিজেই আত্মসাৎ করার অপচেষ্টা করছেন। তার এমন আচরণের মুখে চাকরি ছাড়তে গেলে আমার সাদা চেকে ২ লাখ টাকা লিখে মামলা করার হুমকি দিচ্ছেন। ২০১৯ সালে অনেকে চাকরি ছেড়ে দিয়েও মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই পায়নি। তিনি প্রতিষ্ঠানের অভিযুক্ত এরিয়া ম্যানেজার হয়রানি ও জাল জালিয়াতি বন্ধের জন্যে প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের আরেক ভুক্তভোগী রুহিদাস বিশ্বাস। এ বিষয়ে অভিযুক্ত কেএমএসএসের এরিয়া ম্যানেজার চৌধুরী হাফিজুর রহমান বলেন, এসব অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

ভাগ