লোকসমাজ ডেস্ক॥ বিভাগীয় প্রধানের অনুমতি ছাড়া কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী সংবাদমাধ্যমে কথা বলতে কিংবা অনলাইনে বক্তব্য, মতামত বা নিবন্ধ প্রকাশ করতে পারবেন না।
সব মন্ত্রণালয়ের সচিব/জ্যেষ্ঠ সচিবদের গত ১৮ আগস্ট এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
এর আগের দিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেছিলেন, অনুমতি ছাড়া কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সংবাদমাধ্যমে কথা বলতে পারবেন না। পরদিন সব মন্ত্রণালয়কে অন্তর্ভুক্ত করে চিঠি পাঠায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
চিঠিতে বলা হয়, ওই বিধিমালার ২২ নম্বর বিধির ব্যত্যয় ঘটিয়ে কোনো কোনো সরকারি কর্মচারী বিভাগীয় প্রধানের অনুমোদন ছাড়া কিংবা প্রকৃত দায়িত্ব পালনের ত্রে ছাড়া বিভিন্ন বিষয়ে বেতার ও টেলিভিশনের সংবাদ, টকশো, আলোচনা অনুষ্ঠান, পত্র-পত্রিকা বা অনলাইন মাধ্যমে বক্তব্য বা মতামত বা নিবন্ধ বা পত্র প্রকাশ করছেন। সরকারের নীতি-নির্ধারণী অনেক বিষয়েও তারা বক্তব্য বা মতামত দিচ্ছেন।
এতে বলা হয়, সরকারি কর্মচারীরা বিভাগীয় প্রধানের অনুমোদন ছাড়া কিংবা ‘প্রকৃত দায়িত্ব পালনের ত্রে’ ছাড়া বেতার কিংবা টেলিভিশনের সম্প্রচারে অংশগ্রহণ করতে অথবা কোনো সংবাদপত্র বা সাময়িকীতে নিজ নামে অথবা বেনামে অথবা অন্যের নামে কোনো নিবন্ধ বা পত্র লিখতে পারবে না।
‘এ ধরনের েেত্র অনুমোদন দেওয়া হবে যদি ওই সম্প্রচার বা নিবন্ধ বা পত্র সরকারি কর্মচারীর ন্যায়পরায়ণতা, বাংলাদেশের নিরাপত্তা অথবা বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্ব সম্পর্ক তিগ্রস্ত না করে…’ চিঠিতে যোগ করা হয়।
এছাড়া ওই সম্প্রচার, নিবন্ধ বা পত্র যদি পুরোপুরি শিল্প-সাহিত্যধর্মী অথবা বিজ্ঞানভিত্তিক অথবা ক্রীড়া সম্পর্কিত হয়, তাহলে আগে থেকে অনুমোদন নেওয়ার প্রয়োজন হবে না।
পাশাপাশি বিভাগীয় কমিশনার অথবা জেলা প্রশাসক অথবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা যদি সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করার জন্য সম্প্রচারে অংশ নেন, তাহলেও বিভাগীয় প্রধানের অনুমোদনের প্রয়োজন হবে না।
এদিকে পদ্মা সেতুর প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম প্রকল্প সংশ্লিষ্ট শ্রমিক, ঠিকাদার, প্রকৌশলীসহ আটটি জায়গায় পাঠানো চিঠিতে বলেছেন, ফেইসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইবারসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে পদ্মা সেতু সংশ্লিষ্ট কোনো ভিডিও, ফটো বা এ-সম্পর্কিত বার্তা তারা শেয়ার করতে পারবেন না সংশ্লিষ্ট কেউ।





