শরণখোলা (বাগেরহাট) সংবাদদাতা ॥ বৈরী আবহাওয়ার কারণে নদী ও সাগরে জাল ফেলতে পারছেন বাগেরহাটের শরণখোলার প্রায় অর্ধলাখ জেলে। সমুদ্র উত্তাল থাকায় তারা জাল-ট্রলার নিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী সুন্দরবনে। বাকিরা লোকালয়ের নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন। প্রায় ১৫ দিন ধরে ইলিশ জেলেরা সাগরে জাল ফেলতে না পেরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ফলে দরিদ্র জেলে পরিবারে দেখা দিয়েছে খাদ্য সংকট। এদিকে আড়তদার ও ট্রলার মালিকরা লাখ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে এখন বেকার বসে আছেন। করোনায় তিগ্রস্ত হওয়ার পর জেলেরা ৬৫ দিনের অবরোধের মুখে পড়েন। পরে দেখা দেয় ঘূর্ণিঝড় আম্পান। এখন আবার লঘুচাপের কারণে সাগর রয়েছে উত্তাল। দীর্ঘদিন ধরে সমুদ্রে জাল ফেলতে পারছেন না জেলেরা। মৎস্য আড়তদার জামাল হোসেন জানান, এখন ইলিশের ভরা মৌসুম, অথচ তারা মাছ ধরতে পারছেন না। পরে আর এ তি পুষিয়ে উঠা সম্ভব হবে না। ব্যবসায়ী ও জেলেরা এ বছর ব্যাপক লোকসানের মুখে পড়ার আশঙ্কা করছেন। পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন জানান, সমুদ্রে ঝড় হলে জেলেরা সাধারণত বনের খালে আশ্রয় নিয়ে থাকেন। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিনয় কৃষ্ণ জানান, বৈরী আবহাওয়ার কারণে জেলেরা সাগরে জাল ফেলতে না পেরে তিগ্রস্ত হচ্ছেন। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে তারা সাগরে জাল ফেলবেন। তবে সাগরে মাছ কম ধরা পড়ে এটা ঠিক নয়। আবহাওয়ার কারণে মাছ গতি বা দিক পরিবর্তন করে থাকে।





