লোকসমাজ ডেস্ক॥ করোনা মহামারীর শুরু থেকে ভারতীয় আমদানিকারকরা আন্তর্জাতিক বাজার থেকে পাম অয়েল আমদানি কমিয়ে দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে পণ্যটির আমদানিকারক কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল করায় ভারতের বাজারে আমদানি করা পাম অয়েলের সরবরাহ শ্লথ হয়ে এসেছিল। তবে বছরের মাঝামাঝি সময়ে এসে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে। দেশটিতে বাড়তে শুরু করেছে পাম অয়েল আমদানি। এ ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের জুলাইয়ে ভারতের বাজারে পাম অয়েল আমদানি বেড়ে ১০ মাসের সর্বোচ্চে উঠেছে। মুম্বাইভিত্তিক সলভেন্ট এক্সট্রাক্টর্স অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়ার সাম্প্রতিক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ও ইকোনমিক টাইমস।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জুলাইয়ে ভারতীয় আমদানিকারকরা আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সব মিলিয়ে ৮ লাখ ২৪ হাজার ৭৮ টন অপরিশোধিত পাম অয়েল আমদানি করেছেন। এক বছরের ব্যবধানে দেশটিতে পণ্যটির আমদানি বেড়েছে ১ দশমিক ৪ শতাংশ। ১০ মাসের মধ্যে এটাই ভারতে পাম অয়েলের সবচেয়ে বেশি আমদানির পরিমাণ।
চলতি বছরের শুরু থেকে ভারতের পাম অয়েল আমদানিতে করোনা মহামারী নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল। খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, আমদানি করা পাম অয়েলের বেশির ভাগ ভারতজুড়ে হোটেল ও রেস্তোরাঁগুলোয় ব্যবহার হয়। করোনা সংক্রমণ ছড়ানোর পর থেকে টানা লকডাউনে রেস্তোরাঁ ব্যবসা পুরোপুরি বন্ধ ছিল। এতে পাম অয়েলের চাহিদা ও আমদানি দুটোতেই পতন দেখা দেয়। এখন লকডাউন আগের তুলনায় শিথিল হওয়ায় হোটেল-রেস্তোরাঁ খুলতে শুরু করেছে। বাড়ছে পাম অয়েলের চাহিদাও। এ কারণে পণ্যটির আমদানি বাড়িয়ে ১০ মাসের সর্বোচ্চে উন্নীত করেছেন ভারতীয় আমদানিকারকরা।
এদিকে চলতি বছরের জুলাইয়ে শুধু পাম অয়েল নয়, বরং সয়াবিন তেল আমদানি বেড়েছে ভারতে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত জুলাইয়ে ভারতে সয়াবিন তেল আমদানিতে রেকর্ড ৫২ শতাংশ প্রবৃদ্ধির দেখা মিলেছে। এ সময় ভারতীয় আমদানিকারকরা আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সব মিলিয়ে ৪ লাখ ৮৪ হাজার ৫২৫ টন সয়াবিন তেল আমদানি করেছেন।





