যশোরে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে : একদিনে শনাক্ত ৬৯ জন

বি এম আসাদ ॥ যশোরে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গতকাল আক্রান্ত হয়েছে ৬৯ জন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চলায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। আক্রান্তের সংখ্যা বরাবরের ন্যায় যশোর শহর ও সদর উপজেলায় সবচেয়ে বেশি। একদিনে সদরে আক্রান্ত হয়েছেন, ৩৪ জন। অভয়নগরে আক্রান্ত হয়েছেন ১২ জন। ঝিকরগাছায় ১০ জন। কেশবপুরে ৮ জন ও মনিরামপুরে ৫ জন।
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাগার জেনোম সেন্টারে ১শ ৯৪টি নমুনা পরীক্ষা কা হয়েছে। এর ভেতর ৬৯ জন কোভিড-১৯ সংক্রমনে আক্রান্ত হয়েছেন বলে সিভিল সার্জন অফিস সূত্র জানিয়েছেন। এ পর্যন্ত যশোরে আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৩শ’ ৮৫ জন। সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৩শ’ ৮ জন। ৩৯ জন কোভিড-১৯ সংক্রমনে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। গতকাল যশোরে আক্রান্ত হচ্ছেন, শহরের ৩৯সি শহীদ সড়কের ডাঃ এ এস এম আতিকুজ্জামান (৫০), হৈবতপুর বারীনগরের রহিমা খাতুন (২৬), রেলগেট তেঁতুলতলার ইমরুন নাহার (৩৪), আকসুদা বেগম (৪৫), সদর উপজেলার সাজিয়ালী গ্রামের মাহফুজুর রহমান (১৭), উপশহর এ-ব্লকের রুবেল (৩৮), যশোর অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের অফিসের জামাল আল নাসির (৩৭), ক্যান্টনমেন্ট আবাসিক এলাকার তানিয়া রহমান (২৩), তাহেরা সোভা (৪০), ঘোপ ডিআইজি রোডের নাসিম রেজা (৩০), পালবাড়ী এলাকার আসানুর রহমান (২৩), হরিণাথপুরের শাহারুল ইসলাম (৩৮), যশোর মেডিকেল কলেজের কর্মচারী আব্দুস শহীদ (২৭), শেখহাটির অপু (৪০), স্বপ্না (৩২), অজ্ঞাতনামা যুবক (২১), মোল্লাপাড়ার জামিল হোসেন (৯৫), যশোর পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির আক্কাস আলী (৩৬), ঘোপ জেল রোডের বাহারুল ইসলাম (৭০), মুড়লী এলাকার শরীফুুল ইসলাম (৫০), ঘোপের জুয়েল (৪২), বেজপাড়ার আখিমিনা (৬০), রাজু আহমেদ (৩৪), জোসনা বেগম (৬৫), অগ্রণী ব্যাংকে কর্মরত জুলফিকার (৩৪), নীলগঞ্জ এলাকার নূরজাহান বেগম ((৮৫), মুজিব সড়কের এম হাসান সরোওয়ার্দী (৫৬), পুরাতন কসবা কাজীপাড়ার নাইমা সিলবাত (৩৬), মনিরামপুরের আব্দুস সালাম (৫৫), শালিখার ওয়াসিম (৬০), কেশবপুরের আহাদ আলী (৪০), আহমেদ আলী (৬৩), সাকিব হাসান (২৫), রুকাইয়া আহমেদ (২৫), বাজিতপুরের মাহামুদা (২৮), বায়সার নাজনীন নাহার (৩৮), আলতাপোল গ্রামের শফিকুল ইসলাম (৩৫), কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রেশমা খাতুন (৩৫), ঝিকরগাছার দিলরূবা (৪৮), কীর্তিপুরের ইব্রাহিম হোসেন (৩২), লুৎফর রহমান (৫৭), ফরিদা বেগম (৩৮), কৃষ্ণনগরের গৌরচন্দ্র ভদ্র (৬৫), নবীনগরের রোকসানা শারমিন (৪৫), তাসমিম (১১), মাহদিয়া মুহাসিনাত (১৪), মোহাম্মদপুরের পারভীন খাতুন (৩৭), গদখালীর জসিম উদ্দিন (৩৩), মনিরামপুরের মাগুরহাটের আজম আলী (২৪), হাজরাকাঠির রফিকুল ইসলাম (৪৫), শ্রীপুরের আসাদুল্লাহ (৪০), বাকডাঙ্গার প্রদীপ কুমার চক্রবর্তী (৫৬), অভয়নগরের প্রভাত মল্লিক (৭০), গুয়াখোলার সাঈদ সরকার (৩৩), রুহুল কুদ্দুস (৫৫), খুরশিদা বেগম (৪৫), বুইকারার আরিফুজ্জামান (৩১), নওয়াপাড়ার মোনায়েম হোসেন (৩০), রাসেল শেখ (২৭), পায়রার দুলাল চন্দ্র (৭০), মৃনাল কান্তি (৬০), জোবাইদা লাকী (৪০), সিফাত মাহমুদ (১৮), নিলুফা ইয়াসমিন (৩১)। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আক্রান্তদের বাড়ি লকডাউন ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয়েছে। যশোর ছাড়াও মাগুরার ৫০টি নমুনা পরীক্ষা করে ২০ জন ও নড়াইলে ৬৮টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৮ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে বলে যবিপ্রবি’র জেনোম সেন্টারের ডাঃ তানভীরুল ইসলাম জানিয়েছেন।

ভাগ