চৌগাছায় দলীয় প্রতিপক্ষের হামলায় ছাত্রলীগ নেতা জখমের ঘটনায় সড়ক অবরোধ

স্টাফ রিপোর্টার, চৌগাছা (যশোর) ॥ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি দলীয় প্রতিপক্ষের হামলায় আহতের ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে চৌগাছা। শনিবার সকাল থেকেই ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা উপজেলা সদরে জড়ো হতে থাকে। সকাল ১০ টার দিকে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা চৌগাছা-যশোর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থাকেন। বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। স্বাধীনতা ভাস্কর্য মোড়, কপোতাক্ষ সেতুর ওপর, চৌগাছা-ঝিকরগাছা সড়কে নেতাকর্মীরা অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন। এ সময় চৌগাছার সকল রুটে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সকাল ১০ টায় বিক্ষোভ শুরু হয়ে প্রায় দুই ঘন্টা চলে। হঠাৎ করে সড়ক অবরোধ করায় চরম বিপাকে পড়েন ঘর থেকে বের হওয়া মানুষেরা। প্রচন্ড রোদ আর গরমে অনেকেই পায়ে হেটে গন্তব্যে পৌছান। অ্যাম্বুলেন্সসহ জরুরি কাজে নিয়োজিত বিভিন্ন ধরনের বাহনকেও সড়কে এ সময় দাড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। পরে আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের হস্তক্ষেপে অবরোধ তুলে নেয় নেতাকর্মীরা। উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুজ্জামান রাজু বলেন, শুক্রবার হামলায় অংশ নেয়া কেউ আটক হয়নি। আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে হামলাকারীদের আটক করতে হবে। অন্যথায় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে বৃহৎ আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
এদিকে ছাত্রলীগ নেতা ইব্রাহীম হুসাইনের ওপর হামলার ঘটনায় তার বড় ভাই জাহিদুর রহমান মিলন শুক্রবার রাতেই ১৩ জনকে আসামি করে সংশ্লিষ্ঠ থানায় একটি মামলা করেন। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোনো আসামিকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রিফাত খান রাজিব বলেন, এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে, মামলার পরপরই পুলিশ আসামিদের আটকে জোর চেষ্টা চালিযে যাচ্ছে। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে সকল আসামিকে আটকে সক্ষম হবেন বলে তিনি মনে করেন। শুক্রবার রাত ৯ টার দিকে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইব্রাহীম হুসাইন ও তার সহযোগী মিঠুন হোসেন মোটরসাইেেল চৌগাছা বাজার হতে নিজ বাড়ি ্উপজেলার বেড়গোবিন্দপুর গ্রামে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে বাঁওড়ের ব্রিজ সন্নিকটে পৌছালে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা করে দুর্বৃত্তরা। এ সময় ধারালো অস্ত্র ও হাতুড়ি দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে তাদের মারাত্মক আহত করে ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে চৌগাছা হাসপাতালে পরে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।

ভাগ