সাহেদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চায় গ্রামবাসী

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি॥ করোনা পরীক্ষায় জালিয়াতির ঘটনায় সমালোচিত রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদের গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরা জেলায়। মহামারির এই সময়ে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করায় গ্রামবাসীও তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চায়। সাতক্ষীরা শহরের কামাননগরে বর্তমানে তার তেমন কোনো সম্পদ নেই। সব বিক্রি করে অনেক আগেই তারা পাড়ি জমিয়েছেন ঢাকাতে। সাহেদের বাবার নাম সিরাজুল করিম ও মায়ের নাম মিসেস সাফিয়া করিম। তার মা এক সময় সাতক্ষীরা জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ-সম্পাদক ছিলেন।
কামাননগরের লোকজনের কাছে সাহেদ একজন প্রতারক হিসেবে পরিচিত। এদিকে পুলিশসহ সরকারের বিভিন্ন বিভাগ সাহেদের ব্যাপারে অধিকতর তদন্তে নেমেছে। সাতক্ষীরার দলীয় নেতা-কর্মীসহ প্রত্যেকেই তার অপকর্মের শাস্তি দাবি করেছেন। সাহেদের অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও তার বিরুদ্ধে মামলার পাহাড় নিয়ে চিন্তিত ছিলেন তার পরিবারের লোকজন। সাহেদ বেশিরভাগ সময় ঢাকাতে থাকতেন। সাতক্ষীরায় যেতেন কম। তার মা মারা যাওয়ার পর বাবা কামালনগরে করিম সুপার মার্কেটের সম্পত্তি ও তাদের বসতভিটা বিক্রি করে স্থায়ীভাবে সাতক্ষীরা ছেড়ে ঢাকায় চলে যান। সাতক্ষীরা পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন জানান, সাহেদকে সাতক্ষীরাবাসী প্রতারক হিসেবে চেনেন। তারা সাহেদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান। সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম বলেন, ‘চিকিৎসার নামে শাহেদ যেভাবে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করেছে এটি নিঃসন্দেহে লজ্জাজনক ও দুঃখজনক। আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগের মাধ্যমে এ ধরনের প্রতারকের শাস্তি হওয়া উচিত।’

ভাগ