রাজগঞ্জ (যশোর) সংবাদদাতা ॥ মহামারী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে সরকার ঘোষিত যশোরের মনিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জ বাজারসহ এলাকার বিভিন্ন হাট-বাজারের দোকানপাট একবেলা খোলা থাকার নির্দেশ থাকলেও ুদ্র ব্যবসায়ীরা পড়েছেন মহাবিপাকে। সীমিত সময়ের মধ্যে বেচাকেনা কম হওয়ায় আর্থিকভাবে তির সম্মুখিন হচ্ছেন তারা। অন্যদিকে গ্রামের অসহায় দুস্থ মানুষ সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত বিভিন্ন লোকের তেখামারে শ্রমিকের কাজ করে বাড়ি ফিরে আসেন। তাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র দোকান বন্ধ থাকার কারণে কিনতে পারছেন না।
হানুয়ার গ্রামের শ্রমিক লাভলু, আনিছুর, কামাল হোসেন, আব্দুল্লাহসহ অনেকে জানান, তারা সকাল ৬ টা থেকে পরের েেত শ্রমিকের কাজ করে বিকাল ৩ টায় বাড়ি ফিরে আসেন। বিকালে দোকানপাট বন্ধ থাকায় নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে পারছেন না। এ জন্য তাদের অনেক সময় তরিতরকারি ছাড়া শুধু লবণভাত খেয়ে দিন কাটাতে হচ্ছে। অন্যদিকে রাজগঞ্জ বাজারের ুদ্র ব্যবসায়ী কামাল, নিতাই, মোরশেদ, ইমরান, আসলাম, তপন, সালামসহ অনেকে জানান, একবেলা দোকান খোলায় পাইকারি দোকানদাররা লাভবান হচ্ছেন। কিন্তু আমাদের মত ুদ্র ব্যবসায়ীদের বেচাকেনা কম হওয়ায় সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এছাড়া রাজগঞ্জ অঞ্চলের খেদাপাড়া, রোহিতা, মুড়াগাছা, মদনপুর, দীঘিরপাড়, হেলাঞ্চী, কোমলপুর, ষোলখাদা, হরিহরনগর, ডুমুরখালী, বড়চেৎলা, মুক্তারপুর, ঝাঁপা, পারখাজুরা, কাঁঠালতলা, ভরতপুর, শয়লা, নেংগুড়াহাটসহ গ্রামের আরোও ছোট ছোট হাটের দোকানপাট সকাল থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত খোলা থাকার কথা জানিয়েছেন রাজগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ তরিকুল ইসলাম। তিনি আরোও জানান, ৪ টার পর দোকানপাট খোলা রাখলে এবং হাট-বাজারে বিনা প্রয়োজনে লোক সমাগম বেশি থাকলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এরপরও অনেকে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে দোকান খোলা রাখছেন। এদিকে বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সীমিত সময়ের মধ্যে যা বেচাকেনা হচ্ছে তাতে মহাজনের টাকাসহ অন্যান্য ধারদেনা পরিশোধ করা যাচ্ছে না। তাই আর্থিক সংকটের কারণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নিয়ম ভঙ্গ করে মালামাল বিক্রি করতে হচ্ছে।




