স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোরের উপশহরে সৈয়দ এহসানুল হক ইমু খুনের ঘটনায় গত সোমবার রাতে কোতয়ালি থানায় মামলা করেছেন নিহতের পিতা সৈয়দ ইকবাল হোসেন ইকু। মামলায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করা হয়েছে। তবে সৈয়দ এহসানুল হক ইমু হত্যাকাণ্ডের তিনদিন পার হয়ে গেলেও জড়িত কাউকে এখনো আটক করতে পারেনি পুলিশ। কোতয়ালি থানা পুলিশের ইন্সপেক্টর (তদন্ত) শেখ তাসমীম আলম জানান, সৈয়দ এহসানুল হক ইমু খুনের ঘটনায় তার পিতা উপশহর বি-ব্লকের ১০৯ নম্বর বাড়ির বাসিন্দা গত সোমবার রাতে লিখিত এজাহার দাখিল করলে সেটি নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়। কিন্তু তিনি মামলায় কারো নাম উল্লেখ করে আসামি করেননি। তবে অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জনকে আসামি করা হয়েছে। থানার এস আই কামাল হোসেনকে এই মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখনো পর্যন্ত হত্যার সাথে জড়িত কাউকে আটক করা যায়নি। উল্লেখ্য, গত ২১ জুন রাতে উপশরস্থ শিশু হাসপাতালের সামনের রয়েলের চায়ের দোকানে উঠতি সন্ত্রাসীরা সৈয়দ এহসানুল হক ইমুকে কুপিয়ে হত্যা করে। সন্ত্রাসীদের মারমারি ঠেকাতে গিয়ে একজনকে চড় মারার জের ধরে তাকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার সাথে পুরাতন কসবা লিচুবাগান এলাকার উঠতি সন্ত্রাসীরা জড়িত বলে পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণ পেয়েছে। তাদের শনাক্তের জন্য ঘটনাস্থল এলাকার কোজ সার্কিট ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজও সংগ্রহ করেছে। তাছাড়া নানা উপায়ে পুলিশ সন্ত্রাসীদের শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।




