মহেশপুরের নাজমা জর্ডানে দালালদের বন্দিদশা থেকে দেশে ফিরতে চান

মহেশপুর (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতা ॥ মহেশপুরের এক অসহায় নারী জর্ডানে দালালদের বন্দিদশা থেকে দেশে ফেরার আকুতি জানিয়েছেন।পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ঢাকার একটি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে জর্ডানে পাড়ি জমান নাজমা খাতুন। সেখানে দালালরা তাকে একটি বাসায় আটকে রেখেছে। তাদের নির্দেশ মোতাবেক কাজ করতে না পারায় শারীরিক ভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে। বর্তমানে জর্ডানে দালালদের একটি অফিসে বন্দিদশায় তার জীবন কাটছে। সেখানে একাধিক বাংলাদেশের মহিলা আছে বলে তিনি জানিয়েছেন। সেখান থেকে এক মহিলার সহযোগিতায় তার পরিবারের কাছে ফোনে নির্যাতনের বর্ণনার করেন তিনি। এ বিষয়ে প্রবাসী নাজমার স্বামী মফিজুর রহমান ঝিনাইদহে কর্মরত মানবাধিকার সংগঠনের কাছে স্ত্রীকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য আবেদন জানিয়েছেন। আবেদনের সূত্রে জানা যায়, নাজমা খাতুনের দরিদ্রতার সুযোগ নিয়ে মোটা বেতনে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখায় মহেশপুর থানার রাখালভোগা গ্রামের মৃত তালেব মন্ডলের ছেলে মিলন। তার মাধ্যমে ফরিদপুর জেলার কোতোয়ালী থানার কৈঝুরি ইউনিয়নের বাহারমোড় গ্রামের আলতাফ শেখের ছেলে আদম ব্যবসায়ী আলমের সাথে যোগাযোগ হয়। আলম ঢাকায় পল্টনের একটি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিক জাহিদুলের মাধ্যমে গত বছর ১২ ডিসেম্বর নাজমাকে জর্ডানে পাঠিয়ে দেয়। এরপর থেকে শুরু হয় নাজমার জীবনের করুণ পরিণতি। নাজমাকে উদ্ধারের জন্য বিভিন্ন সংগঠনের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রাণালয়ে অবহিত করা হয়েছে এবং তাকে উদ্ধারের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তিনি আরও বলেন নাজমার এক বোনের মাধ্যমে তিনি জানতে পেরেছেন সে খুব খারাপ অবস্থায় আছে। সে দেশে ফেরার আকুতি জানিয়েছে।

ভাগ