নাভারণ (যশোর) সংবাদদাতা ॥ পাঁচ কোটি টাকার পশুহাট করোনাভাইরাসের কারণে প্রতি হাটে সাড়ে পাঁচ লাখ টাকার স্থলে চার হাটে তিন লাখ ১৫ হাজার টাকা আদায় হওয়ায় আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছেন ইজারাদার। যশোরের বাগআঁচড়া সাতমাইল পশুহাট ক্রেতা-বিক্রেতার অভাবে লগ্নির টাকা কীভাবে উঠাবেন এই চিন্তায় দিশেহারা ইজারাদার। এই পরিস্থিতিতে সরকারের কাছে তি পুষিয়ে নিতে হাটের ইজারা মূল্য ৬০ শতাংশ কমিয়ে পুনঃ বিবেচনার আবেদন করেছেন ইজারাদার।
হাটের ইজারাদার নাজমুল হাসান বলেন, করোনার আগে চার কোটি ৯০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে হাট ইজারা নিয়ে এখন ভয়ানক আর্থিক তির মুখে রয়েছেন । আগে প্রতি হাটে অন্তত ৫ হাজার পশু বেচাকেনা হলেও এখন তা দাঁড়িয়েছে ১০০ থেকে ২০০। প্রতি হাটের খরচ ৫০ হাজার টাকা ধরে সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা আদায় হলে বছর শেষে হাট ডাকের (ইজারার) মূল টাকা তোলা সম্ভব। অথচ গত দু সপ্তাহে চারটি হাটে উঠেছে ২ লাখ ১৮ হাজার টাকা। এখন হাটে ক্রেতা বিক্রেতা নেই, পশুশূন্য। এই অবস্থা চলতে থাকলে আত্মহত্যা করা ছাড়া আমার কোন গতি নেই।’ যশোর জেলা শহর থেকে ৩৭ কিলোমিটার দণি-পশ্চিমে যশোর-সাতীরা সড়কের পাশে বসে জেলার বৃহৎ বাগআঁচড়া সাতমাইল পশুহাট। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকাররা এসে এই হাট থেকে গরু কিনে নিয়ে যান বিভিন্ন এলাকার পশুর হাটে। ব্যবসায়ীরা বলছেন,করোনায় হাট বন্ধ ছিল। তাই কয়েক হাজার পশু ব্যবসায়ীসহ পশু হাটের সাথে জীবিকায় নির্ভরশীল কয়েক হাজার মানুষ,ক্রয়-বিক্রয় পাস লেখক এবং স্বেচ্ছাসেবকরা পুরোপুরি কর্মহীন হয়ে পড়েন। ইদানিং হাট চালু করা হলেও ক্রেতা বিক্রেতার অভাবে হাট জমজমাট হচ্ছে না। হাট কমিটির সভাপতি চেয়ারম্যান ইলিয়াছ কবির বকুল বলেন, এলাকার তিন হাজার উপকারভোগী পরিবার হাটের সাথে প্রত্য ও পরোভাবে জড়িত। কিন্তু তিন মাস তারা কর্মহীন। মানবেতর জীবন যাপন করছেন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার মন্ডল বলেন আবেদন পেয়েছি কিন্তু বিবেচনার সুযোগ নেই। এটা হাট ইজারা কমিটির ব্যাপার। আবেদনটা সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠানো হয়েছে ‘সরকার বিবেচনা’ করলে বাস্তবায়ন করবো।





