স্টাফ রিপোর্টার (কেশবপুর) যশোর ॥ যশোরের কেশবপুরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বসতবাড়িতে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে বৃহস্পতিবার দুপুরে কেশবপুর প্রেসক্লাব হলরুমে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠকালে কেশবপুর পৌর মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফতেমা বেগম জানান, তার ভাশুর কেশবপুর পৌর শহরের ভোগতি-নরেন্দ্রপুর গ্রামের মাঠপাড়ার এনতেখাবুল আলমের সাথে প্রতিবেশী আব্দুর রহিমের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই সূত্র ধরে গত মঙ্গলবার ওই এলাকার রহিমের ছেলে আরিফ ও পৌরসভার কর্মচারী হাফিজুরের নেতৃত্বে ২৫/৩০ জন এনতেখাবুল আলমের বাড়িতে হামলা চালিয়ে বসতবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এ সময় তাদের হামলায় কলেজ ছাত্রীসহ কমপক্ষে ৬ জন আহত হন। এর মধ্যে ইকরামুল হাসান, নূর হাসান, মেহেদি হাসান, নাজমুল হাসান, এনামুল হাসান, ওলিউল আলম খোকন, তরিকুল ইসলাম ও নাসিমুল গনি খুদে গুরুতর আহত হন। আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন। প্রতিপক্ষ হামলা চালিয়ে ঘরবাড়ি ভাঙচুরসহ প্রায় ২ লাখ টাকার ক্ষতি এবং ১০ হাজার টাকার একটি ছাগল পিটিয়ে মেরে ফেলে। এ ঘটনায় ফতেমা বেগম বাদী হয়ে কেশবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। তিনি আরো বলেন, হামলার ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেওয়ায় প্রতিপক্ষ ক্ষিপ্ত হয়ে আমাদের পরিবারের ওপর হামলা চালাচ্ছে। আমরা বর্তমানে আতঙ্কের মধ্যে দিনযাপন করছি। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে উল্লেখিত আসামিদের আটকের দাবি জানান তারা। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নাসিমুল গণি, ওলিউল আলম খোকন, পিকলু, ইকরামুল হাসান, ইমামুল হাসানসহ অন্যান্যরা। এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ জসিম উদ্দীন বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।





