যশোরে কলেজছাত্র এখলাস হত্যা মামলায় আটক মৃদুলের স্বীকারোক্তি

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোর সদর উপজেলার রূদ্রপুর মুক্তিযোদ্ধা কলেজের ছাত্র এখলাস হোসেন হত্যা মামলায় আটক মৃদুল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। সোমবার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক গৌতম মল্লিক তার জবানবন্দি গ্রহণ শেষে অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় তাকে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। মৃদুল মনিরামপুর উপজেলার এড়েন্দা গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে।
জবানবন্দিতে মৃদুল জানিয়েছে, সে মনিরামপুরের পলাশী কলেজের এইসএসসির ছাত্র। একই কাশের এক ছাত্রীর সাথে তার প্রেমজ সম্পর্ক ছিল। এক পর্যায়ে ওই ছাত্রী তাকে বাদ দিয়ে এখলাসের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। এ ঘটনায় তার মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। গত ১৭ মার্চ সকালে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় পলাশী ব্রিজের কাছে মৃদুলের সাথে এখলাসের দেখা হয়। এ সময় এখলাস কথা বলার জন্য মৃদুলকে ডেকে পলাশী হাইস্কুলের গেটে নিয়ে যায়। এরপর সেখানে তাদের দুজনের মধ্যে ওই ছাত্রীর সাথে প্রেম করা নিয়ে কথা কাটাকাটি শুরু করে। এক পর্যায়ে এখলাস মারপিট করার চেষ্টা করলে নিজেকে রক্ষা গিয়ে মৃদুল পড়ে যায়। এরপর মৃদুল তাকে সেখানকার একটি মসজিদের পাশে নিয়ে যায় এবং মাটিতে ফেলে গলার ওপর ১০/১৫ মিনিট পা দিয়ে চেপে ধরে রাখলে এখলাস মারা যায়। এ ঘটনার পর মৃদুল সেখান থেকে পালিয়ে আসে। উল্লেখ্য, এখলাস সদর উপজেলার রুদ্রপুর মুুক্তিযোদ্ধা কলেজের ছাত্র। গত ১৭ মার্চ সে মনিরামপুরের পলাশীতে খুন হয়। এ ঘটনায় মনিরামপুর থানায় মামলা করে তার পরিবার।

ভাগ