স্টাফ রিপোর্টার, মনিরামপুর (যশোর) ॥ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় মৃত যশোরের মনিরামপুরের বাসিন্দা ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম বাবুর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। ঢাকায় কুয়েত-মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত রোববার সন্ধ্যার পর মৃত্যুবরণ করেন তিনি। গতকাল সোমবার সকালে ঢাকা থেকে বাবুর মরদেহ আনা হয় মনিরামপুর উপজেলার চালুয়াহাটি ইউনিয়নের রামনাথপুর গ্রামের বাড়িতে। এ সময় স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারি হয়ে ওঠে। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া। সিরাজুল ইসলাম বাবু রামনাথপুর গ্রামের আবদুল বারিক মোড়লের ছেলে। তিনি ব্যবসার সুবাদে রাজধানী ঢাকার উত্তরায় ভাড়া বাসায় স্ত্রী সন্তান নিয়ে বসবাস করতেন। মনিরামপুরের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন তাকওয়া ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে সকাল সাড়ে আটটায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে সিমিত সংখ্যক মানুষের উপস্থিতিতে নামাজে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
ব্যবসায়ী বাবুর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য, জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মুছা, থানা বিএনপির সভাপতি সাবেক পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট শহীদ ইকবাল হোসেন, পৌর বিএনপির সভাপতি খায়রুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আবদুল হাই, যুবদল সভাপতি আসাদুজ্জামান মিন্টু, সাধারণ সম্পাদক নিস্তার ফারুক, থানা ছাত্রদলের সভাপতি মোতাহারুল ইসলাম রিয়াদ, পৌর সভাপতি মুক্তার হোসেন প্রমুখ। সিরাজুল ইসলাম বাবুর মামাতো ভাই মনিরামপুর সরকারি কলেজের প্রভাষক সাজেদুর রহমান লিটু জানান, গত ৩ জুন জ্বরে আক্রান্ত হয়ে বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছিলেন বাবু। কিন্তু কোন উন্নতি না হওয়ায় তাকে ১০ জুন কুয়েত-মৈত্রী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে তার দেহ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠালে করোনা পজেটিভ সনাক্ত হয়। ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সন্ধ্যার পর মারা যান সিরাজুল ইসলাম বাবু। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন তাকওয়া ফাউন্ডেশনের মনিরামপুর শাখার সমন্বয়ক নাসিম খান জানান, তারা এই প্রথম করোনা আকান্ত কোন মৃত ব্যক্তির দাফন সম্পন্ন করলেন। তিনি বলেন, ফাউন্ডেশনের প থেকে প্রশিক্ষিত ৭ সদস্যের এ বিশেষ টিমকে পিপিইসহ বিভিন্ন সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে।





