স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোরে কলেজছাত্র ইমরান হোসেনের ওপর ‘পুলিশি নির্যাতন’ অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন গতকাল শুক্রবার পুলিশ সুপারের কাছে জমা দেয়া হয়েছে। জেলা পুলিশ প্রশাসন গঠিত ৩ সদস্যের কমিটি তদন্ত শেষে এই প্রতিবেদন জমা দেয়। সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ক-সার্কেল গোলাম রব্বানী। তদন্ত কমিটির একজন সদস্য জানান, তারা ইমরান হোসেনকে চিকিৎসকের মাধ্যমে এক্স-রে করে নিশ্চিত হয়েছেন তার শরীরের কোথাও আঘাতের চিহ্ন নেই। তাছাড়া বিভিন্ন সাক্ষীর সাথে বলে জানতে পেরেছেন ওই কলেজছাত্রকে পুলিশ মারধর করেনি। তবে তার কাছে গাঁজা পাওয়া গিয়েছিলো বলে জানতে পারা গেছে। কিন্তু এরপরও কেন পুলিশ তাকে ছেড়ে দিলো সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ক-সার্কেল গোলাম রব্বানী সাংবাদিকদের জানান, তাদের ৩ সদস্যের কমিটিকে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছিলো। শুক্রবার তারা এই তদন্ত প্রতিবেদন পুলিশ সুপারের কাছে দাখিল করেছেন।
উল্লেখ্য, সদর উপজেলার হৈবতপুর ইউনিয়নের শাহাবাজপুর গ্রামের মাংস বিক্রেতা নিকার আলীর ছেলে কলেজছাত্র ইমরান হোসেনকে পুলিশি নির্যাতনে ‘দুটি কিডনি নষ্ট হয়ে গেছে’ বলে অভিযোগ করা হয়। সাজিয়ালী পুলিশ ক্যাম্পের এএসআই সুমারেশ সাহা ও এএসআই সাজদার রহমানসহ ৬ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করা হয়। এ ঘটনায় তোলপাড় শুরু হলে নির্যাতনের অভিযোগ তদন্তে জেলা পুলিশ প্রশাসন ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করে। এই কমিটির প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ক-সার্কেল গোলাম রব্বানী। কমিটির অপর দুই সদস্য হচ্ছেন-পুলিশের বিশেষ শাখার ডিআই-ওয়ান ইনসপেক্টর মশিয়ুর রহমান ও কোতয়ালি থানা পুলিশের ওসি মো. মনিরুজ্জামান। কমিটিকে ৫ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছিলো। ফলে তদন্ত শেষ হওয়ায় শুক্রবার কমিটি পুলিশ সুপারের কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।





