মাস্ক ও বলবয় থাকছে না প্রিমিয়ার লিগে

লোকসমাজ ডেস্ক॥ মাস্কে ঢাকা মুখ নিয়ে টানেল দিয়ে বেরিয়ে আসছেন বুন্দেসলিগার খেলোয়াড়রা। এমনকি বেঞ্চে বসে থাকা খেলোয়াড় ও স্টাফের সবারই মাস্ক লাগানো। প্রিমিয়ার লিগে কিন্তু এই দৃশ্য থাকছে না। স্টেডিয়ামে ঢোকার পর কারও আর মাস্ক পরার দরকার নেই। তবে বাড়তি সতর্কতায় মাঠে বলবয় রাখছে না ইংলিশ ফুটবল লিগ কর্তৃপক্ষ।
লিগ ফেরার সময় কী কী দিক-নির্দেশনা থাকছে, বৃহস্পতিবার সে ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রিমিয়ার লিগ। ১৭ জুন অ্যাস্টন ভিলা-শেফিল্ড ইউনাইটেডের ম্যাচ দিয়ে ফের শুরু হবে দর্শক জনপ্রিয়তায় বিশ্বের সবচেয়ে জমজমাট প্রতিযোগিতা। ওই ম্যাচ থেকেই অনেক নতুনের সঙ্গে পরিচিত হবে ইংলিশ ফুটবল। স্টেডিয়ামে প্রবেশের পর খেলোয়াড় কিংবা কোচিং স্টাফের কারও মাস্ক পরতে হবে না। এমনকি চতুর্থ রেফারিও এর আওতায়। বুন্দেসলিগায় শুধু মাঠের খেলোয়াড় ও রেফারি থাকেন মাস্কা ছাড়া, কিন্তু ডাগআউটে কিংবা খেলার বাইরে থাকা সবার মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। প্রিমিয়ার লিগ পুরো স্টেডিয়ামকে এতটা নিরাপদ করে রাখতে যাচ্ছে যে, স্টেডিয়ামে ঢোকার পর আর মাস্কের প্রয়োজন পড়বে না। শুধু তা-ই নয়, ড্রেসিং রুম, ডাক্তার কিংবা ফিজিও থাকবেন মাস্ক ছাড়া।
যদিও একটা জায়গায় তারা বেশি সতর্ক। সীমানার বাইরে থেকে বলবয় বল সরবরাহ করে থাকে। করোনা পরবর্তী লিগ চালুর পর থাকছে না কোনও বলবয়। জীবাণুনাশক পদ্ধতির মাধ্যমে দাগের বাইরে থেকে বল সরবরাহ করা হবে। খেলোয়াড়রা যেন মাঠের ভেতর থুতু না ফেলেন কিংবা নিজেদের নাক পরিষ্কার না করেন এবং গোল উদযাপনের সময় সামাজিক দূরত্ব না ভাঙেন- এ ব্যাপারে উৎসাহিত করা হবে। তাছাড়া খেলার দিন স্টেডিয়াম ও টানেলকে কয়েক ভাগে ভাগ করে দেওয়া হবে। সর্বমোট ৩০০ জন থাকতে পারবেন প্রত্যেকটি স্টেডিয়ামে। যেখানে ‘রেড জোন’-এ ১১০ জনের বেশি থাকতে পারবেন না, যার মধ্যে থাকবেন খেলোয়াড়, ক্লাব স্টাফ ও ম্যাচ অফিসিয়ালরা। মাঠে প্র্রবেশ ও বেরিয়ে যাওয়ার সময় খেলোয়াড়, স্টাফ ও ম্যাচ অফিসিয়ালদের হাত জীবাণুমুক্ত করতে হবে। এবং তাদের প্রত্যেকের তাপমাত্রা পরীক্ষা করা হবে স্টেডিয়ামে প্রবেশের আগে।

ভাগ