আরও ৩ জনসহ খুলনায় করোনা উপসর্গ নিয়ে ৩৫ জনের মৃত্যু

খুলনা প্রতিনিধি॥ খুলনায় করোনা উপসর্গ নিয়ে শিশু ও বৃদ্ধসহ আরও তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে রবিবার (৭ জুন) রাতে দুজন এবং সোমবার (৮ জুন) ভোরে একজন মারা যান। এ নিয়ে খুলনায় গত ৮১ দিনে করোনা উপসর্গ নিয়ে ৩৫ জনের মৃত্যু হলো। তবে উপসর্গ নিয়ে মারা গেলেও এদের মধ্যে একজনের নমুনা পরীক্ষায় পর করোনা পজিটিভ আসে। খুলনা মেডিক্যাল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের আইসোলিসন ওয়ার্ডের ফোকাল পারসন ডা. মিজানুর রহমান জানান, এখানে চিকিৎসাধীন থাকা দুই জন গত রাতে এবং একজন আজ ভোরে মারা গেছেন। তাদের দুই জন মহানগরীর এবং একজন পাটকেলঘাটার। দু’জনেরই করোনা উপসর্গ ছিল। তাই নিশ্চিত হতে সকালে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তিনি জানান, জ্বর-শাসকষ্টে আক্রান্ত খুলনা মহানগরীর কুলিবাগান এলাকার রাজিব হোসেনের মেয়ে মিমকে (১২) গত ৬ জুন রাত ১১টা ৮মিনিটে খুমেক হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭ জুন রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে মারা যায় সে।
এদিকে, সাতক্ষীরার দশ খড়িয়াডাঙ্গার শুশান্ত মণ্ডলের ছেলে রিপনকে ৭ জুন রাত ১১টা ৫ মিনিটে জ্বর-কাশি নিয়ে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসকরা তাকে সরাসরি আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। ওই দিন রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে মারা যান তিনি। অপরদিকে, খুলনা মহানগরীর রায়ের মহলের মজিদ হাওলাদারের ছেলে দেলোয়ার হোসেনকে (৬৫) ৭ জুন রাত ১১টা ২০ মিনিটে আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। তার শ্বাসকষ্ট, কাশি, হালকা জ্বর ছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮ জুন ভোর ৫টা ৩৫ মিনিটে তিনি মারা যান। উল্লেখ্য, খুলনায় গত ১৯ মার্চ প্রথম করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যান রূপসা উপজেলার নুরুজ্জামান ওরফে নূর আলম। পরে তার নমুনা পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। এরপর আরও তিন জন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান। খুলনায় এ পর্যন্ত করোনায় মারা গেছেন চার জন। জেলায় এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২০১ জন। ৪০ জন সুস্থ হয়েছেন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ৪৭ জন।

ভাগ