মহেশপুর (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতা ॥ মহেশপুরের দত্তনগর বীজ উৎপাদন খামারে এবার আড়াই শ একর জমির ১০লক্ষাধিক টাকার ধানের বিচালী ও খড় গোপনে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে এক উপ-পরিচালকের বিরুদ্ধে। এর আগে প্রায় ৩ কোটি টাকার ধানবীজ গোপনে পাচার করার দায়ে খামারের চারজন উপ-পরিচালক সাময়িক বরখাস্ত হন।
জানা গেছে কোনপ্রকার কোটেশন,নিলাম, টেন্ডার ছাড়াই বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে এসব বিক্রি করা হয়েছে। মহেশপুরের দত্তনগর বীজ উৎপাদন খামার এশিয়ার মধ্যে বৃহত্তম হিসেবে খ্যাত । প্রায় ৩ হাজার একর জমির ওপর এ বীজ উৎপাদন খামারটিতে আরও পাঁচটি খামার রয়েছে । কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) মাধ্যমে এখানে ধান, ভুট্টা,গম, আলুসহ বিভিন্ন শস্যবীজ উৎপাদন করা হয়। অফিস, বাসভবন বাগান,গরুর খামারসহ বিশাল অবকাঠামো রয়েছে এখানে। একজন যুগ্ম পরিচালক, ৫জন উপ-পরিচালক, ম্যানেজারসহ কর্মচারী রয়েছে এ খামারে। তবে এ খামারে দুর্নীতি যেন ক্রমেই আষ্টে-পৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরছে। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে এখানকার চারজন উপ-পরিচালক প্রায় ৩ কোটি টাকার ধানবীজ গোপনে পাচার করার দায়ে বরখাস্ত হন । আর এবার পাঁচটি খামারের একটি মথুরা বীজ উৎপাদন খামার থেকে চলতি মৌসুমের আড়াই শ একর জমির বোরো ধানের বিচালী ও খড় ৪ হাজার টাকা একর দরে বিক্রি করা হয়েছে স্থানীয়দের কাছে। স্থানীয়রা বলছেন কোনরকম কোটেশন, নোটিশ, টেন্ডার ছাড়াই ইচ্ছামাফিক তিনি আমাদের কাছে বিক্রি করেছেন । আমরা অফিসারের কাছ থেকে বিচালী কিনেছি। এদিকে মথুরা বীজ উৎপাদন খামারের উপপরিচালক মজিবর রহমান দাবি করেছেন জরুরি ভিত্তিতে তলিয়ে যাওয়া ধান কাটতে নিজস্ব মেশিনে সমস্যা হওয়ায় ভাড়া মেশিনে ধান কাটার মূল্য পরিশোধ করতে খড়-বিচালী নামমাত্র মূল্যে কিছু বিক্রি করা হয়েছে, আরও বিচালী মাঠে পড়ে আছে।





