খুলনা সংবাদদাতা॥ খুলনায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে ফরিদ হোসেন (৬০) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। রোববার দুপুর ৩টার দিকে করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত ফরিদ হোসেনের বাড়ি নগরীর মোহাম্মদনগর এলাকায়। এ নিয়ে করোনা আক্রান্ত হয়ে খুলনায় ৫ জনের মৃত্যু হলো। অপরদিকে, এর আগে করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন আরও দুই নারী। রোববার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা সাসপেক্টেড আইসোলেশন ওয়ার্ডে তাদের মৃত্যু হয়। মৃত দুই নারী হলেন নড়াইল সদর উপজেলার হাটবাড়িয়া গ্রামের আব্দুল মান্নানের স্ত্রী রোকেয়া (৬৫) ও গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলার বদরুল আলমের স্ত্রী কামরুন্নাহার (৪৫)। তারা দুইজনই জ্বর ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন।
খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ও করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. মিজানুর রহমান জানান, বৃদ্ধ ফরিদ হোসেন খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফ্লু কর্নারে ভর্তি ছিলেন। করোনা পজিটিভ শনাক্ত হওয়ার পর শনিবার বিকালে তাকে করোনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার দুপুর ৩টার দিকে তিনি মারা যান। তিনি আরও জানান, এর আগে রোববার সকাল ৮টায় জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে নড়াইল সদর উপজেলা সদরের হাটবাড়িয়া গ্রামের আবদুল মান্নানের স্ত্রী রোকেয়া বেগমকে (৬৫) হাসপাতালের করোনা সাসপেক্টেড আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেলা ১১টায় তিনি মারা যান। এছাড়া শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া কলোনি রোডের বাসিন্দা বদরুল আলমের স্ত্রী কামরুন নাহারকে (৪৫) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি রবিবার সকাল ৭টায় মারা যান। ডা. মিজানুর রহমান জানান, মৃত দুই নারী করোনায় আক্রান্ত ছিলেন কিনা তা জানার জন্য নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এই নিয়ে খুলনায় করোনা উপসর্গ নিয়ে ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তর সূত্র জানায়, এ নিয়ে খুলনা বিভাগের দশ জেলায় ১৩ জন করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে খুলনায় ৫ জন, বাগেরহাটে ২ জন, যশোরে ১ জন, নড়াইলে ২ জন, চুয়াডাঙ্গায় ১ জন ও মেহেরপুরে ২ জন।





