যশোরে আইসোলেশন থেকে পালানো আসামি সুজন আজও আটক হয়নি

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ড থেকে পালিয়ে যাওয়া অপহরণ মামলার আসামি শাকিল ওরফে সুজনকে আজো আটক করতে পারেনি পুলিশ। ইতোমধ্যে ঘটনার এক মাসেরও বেশিদিন পার হয়ে গেছে। পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় ওই সময় তার বিরুদ্ধে কোতয়ালি থানায় আরও একটি মামলা হয়েছে। তবে পুলিশ বলছে, হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যাওয়া সুজনকে আটকের জন্য তারা নানাভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
শাকিল ওরফে সুজন (২৫) রাজবাড়ির পাংশা উপজেলার বাহাদুরপুর কাজীপাড়ার (মল্লিক বাড়ি) রঞ্জিত মল্লিকের ছেলে। যশোরে সে শহরের বারান্দী মোল্লাপাড়া আমতলার জনৈক হাসান মুহুরির বাড়িতে ভাড়া থাকতো। শহরের পুরাতন কসবা কাজীপাড়া আজিজ সিটির জনৈক জিয়াউর রহমানের মেয়ে নবম শ্রেণির ছাত্রী সানাজিদা ইয়াসমিনকে অপহরণের অভিযোগে গত ১০ এপ্রিল তার বিরুদ্ধে কোতয়ালি থানায় মামলা হয়। ওইদিন দুপুরে পুলিশ তাকে আটক করে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু তার শরীরে জ্বর, সর্দি ও কাশির উপসর্গ দেখা দেওয়ায় কারা কর্তৃপক্ষ তাকে (হাজতি নং-২২৪৯/২০) যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে দেন। হাসপাতাল থেকে তাকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে পাঠিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু ১২ এপ্রিল রাতে সে পাহারায় থাকা কারারক্ষী এবং পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে ওয়ার্ডের পেছনের জানালার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যায়। রাত ১০টার দিকে তার পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা টের পায় পুলিশ ও কারারক্ষীরা। কিন্তু সেই সময় অনেক খোঁজাখুঁজি করা হলেও তার সন্ধান মেলেনি। ফলে তার বিরুদ্ধে হেফাজত থেকে পালিয়ে যাওয়ার অপরাধে আরও একটি মামলা হয় কোতয়ালি থানায়। কিন্তু পুলিশ অদ্যাবধি তাতে আটক করতে পারেনি।
যোগাযোগ করা হলে মামলার (হেফাজত থেকে পালানোর মামলা) তদন্ত কর্মকর্তা কোতয়ালি থানা পুলিশের এসআই মোকলেচ্ছুজামান জানান, সুজনকে আটকের জন্য তারা নানাভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তার মোবাইল ফোন নম্বর ট্র্যাকিং করে তার অবস্থান জানার চেষ্টা করছেন। কিন্তু এখনো পর্যন্ত তার সঠিক অবস্থান নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে আশা করছেন শিগগির তারা তাকে আটক করতে পারবেন।

ভাগ