যশোরের চান্দুটিয়ায় আনসার সদস্যদের মারধর, আটক ২

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোর সদর উপজেলার চান্দুটিয়া গ্রামে সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন আনসার ও ভিডিপি’র সদস্যরা। এ ঘটনায় কোতয়ালি থানায় মামলাও হয়েছে। পুলিশ এ মামলার এজাহারভুক্ত দু’ আসামিকে গত সোমবার রাতে আটক করেছে। মঙ্গলবার তাদের আদালতে সোপর্দ করে ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়েছে।
সদর উপজেলার চান্দুটিয়া দক্ষিণপাড়ার মো. রাশেদ আলীর ছেলে আনসার ও ভিডিপি’র সদস্য মো. মনিরুল ইসলামের অভিযোগ, তিনিসহ আনসার সদস্য আসাদুল ইসলাম, ফারুক হোসেন ও নুর নবী করোনাভাইরাস সংক্রান্ত দুর্যোগ মোকাবেলায় চান্দুটিয়া বাজারে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য দায়িত্বে রয়েছেন। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী চায়ের দোকান সম্পূর্ণ বন্ধ এবং মুদি দোকান বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। কিন্তু গত ১৭ মে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তিনিসহ অন্য আনসার সদস্যরা বাজারে গিয়ে দেখতে পান গ্রামের সাখাওয়াত হোসেনের ছেলে আদর আলী সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে চায়ের দোকান খুলে রেখেছেন। সেখানে জনসমাগম ঘটানো হয়েছে। সামাজিক দূরত্বও মানা হচ্ছেনা। এ দৃশ্য দেখার পর তারা তাকে এ ধরনের কাজ করতে নিষেধ করেন। এ সময় চান্দুটিয়া দক্ষিণপাড়ার ওমেদ আলী সরদারের ছেলে আজিজুর রহমানের হুকুমে আদর আলী, একই গ্রামের মোফাজ্জেল গাজীর ছেলে শামীম গাজী এবং মৃত শহর আলী মন্ডলের ছেলে টিটো মন্ডল তাদের ওপর হামলা চালান। তারা তাদেরকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। টাকা-পয়সা কেড়ে নেন। এছাড়া আসাদুল ইসলাম নামে তাদের এক সহকর্মী আনসার সদস্যকে ছুরিকাঘাত করেন হামলাকারীরা। এ ঘটনার পর তারা আনসার সদস্যরা যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নেন।
পুলিশ জানায়, আনসার সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় গত সোমবার কোতয়ালি থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী মনিরুল ইসলাম। এরপর ওই রাতেই অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত দুজন আসামি শামীম গাজী এবং টিটো মন্ডলকে আটক করেছে। মঙ্গলবার তাদের ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

ভাগ