স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোরের অভয়নগর উপজেলার মোয়াল্লেমতলা গ্রামের শেখ আতিয়ার রহমান আতাই হত্যা মামলার আসামি তারেক কাজীকে গত শুক্রবার রাতে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আটক করেছে পুলিশ। সে নদীতে লাফিয়ে পড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলো। শনিবার তাকে আদালতে সোপর্দ করলে সে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। এদিকে ওই মামলার আরেক আসামি শামিমকেও গত শুক্রবার আটক করেছে পুলিশ।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অভয়নগর থানা পুলিশের এসআই আব্দুর রহমান জানান, তারেক কাজী হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৩ নম্বর আসামি। সে মোয়াল্লেমতলা গ্রামের মৃত কাজী মুস্তাক হোসেনের ছেলে। আতাই খুন হওয়ার পর সে পালিয়ে খুলনায় চলে যায়। তবে গত শুক্রবার রাত আটটার দিকে খবর পাওয়া যায় সে অভয়নগরের মশরহাটিতে এসেছে। এ খবর পেয়ে সেখানে গেলে সে পুলিশ দেখে পাশে নদীতে লাফিয়ে পড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। সাথে সাথে তারাও নদীতে ঝাঁপ দেন। এরপর নদী থেকে তাকে আটক করা হয়। তিনি আরো জানান, এ মামলার এজাহারভুক্ত ৫ নম্বর আসামি শামিমকে শুক্রবার সন্ধ্যায় মোয়াল্লেমতলা গ্রাম থেকে আটক করা হয়েছে। সে ওই গ্রামের আক্কাস মিস্ত্রির ছেলে। শনিবার আটক দুজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আটক তারেক কাজী আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে। জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক শম্পা বসু তার জবানবন্দি গ্রহণ করেন। পরে তাকেসহ শামিমকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। জবানবন্দিতে তারেক কাজী আদালতকে বলেছেন, আসামি লিমনের খালাতোভাই নিশানকে ৬ বছর আগে খুন করেন আতাইসহ তার সহযোগীরা। এই হত্যার প্রতিশোধ নিতে আতাইকে খুন করা হয়েছে। উল্লেখ্য, মোয়াল্লেমতলা গ্রামের বাসিন্দা শেখ আতিয়ার রহমান আতাই গত ১১ মে রাতে নিজ বাড়ির সামনে প্রতিপক্ষের হাতে খুন হন। এ ঘটনায় তার স্ত্রী মোকসুদা বেগম বুলবুলি ৫ জনকে আসামি করে অভয়নগর থানায় একটি মামলা করেন।





