এম এ রহিম চৌগাছা (যশোর)॥ যশোরের চৌগাছায় সিংহঝুলী ইউনিয়নের কথিত মৃৃত ব্যক্তি জুয়েল রানাকে সাথে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন। বুধবার দুপুরে প্রেসকাব চৌগাছায় একটি সংবাদ সম্মেলন করেন চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান বাদল। তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, চৌগাছা সিংহঝুলী ইউনিয়নে হচ্ছেটা কী! মৃত ব্যক্তি জীবিত হয়ে নিচ্ছে চাল! কার্ডধারীরাও পাচ্ছেন না। এ মর্মে ১১ মে প্রকাশিত সংবাদকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, ৯ নং ইউপি সদস্য আব্দুস সামাদ,ওই এলাকার ১০ টাকা চালের ডিলার গোলাম মোস্তফা ময়না ও যাকে মৃত দেখানো হয়েছে সেই নুরো ওরফে নুর ইসলামের ছেলে জুয়েল রানাসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ।
সংবাদের সন্মেলনে চেয়ারম্যান বাদল বলেন, যে মৃত ব্যক্তি জীবিত হয়ে ১০ টাকার চাল তুলছেন বলে বিভিন্ন অনলাইন নিউজ ও পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয়েছে সেটি মিথ্যা। শুধু কার্ডধারী ও তার বাবার নামের মিল থাকায় সংবাদকর্মী সত্য অনুসন্ধান না করেই সংবাদ পরিবেশন করেছেন। যাকে মৃত দেখানো হয়েছে তার নামে কখোনই ১০ টাকার কার্ড ছিলনা। তিনি বলেন, ২০১৬ সালের ২৪ আগষ্টে ইউনিয়ন পরিষদের একটি রেজুলেশনের মাধ্যমে বশে কিছু নাম সংশোধন করেছি। সেই সময় ওই নাম গুলো পরিবর্তন হয়েছে। পরিবর্তিত নাম ও কার্ড নাম্বার হচ্ছে ৮৯৭ নং কার্ডে মুস্তাকের পরিবর্তে সন্তোষের ছেলে জগবন্ধু, ৯০৩ নং কার্ডে গরীবপুর গ্রামের জ্ঞানেন্দ্রের ছেলে শচিনের পরিবর্তে জগন্নাথপুরের নজিবরের ছেলে দাউদ, ৯০৬ নং কার্ডে গরীবপুরের শাহিনুরের পরিবর্তে জগন্নাথপুরের সামসুদ্দিনের ছেলে সাইদুর, ৯৫৯ নং কার্ডে রতনের পরিবর্তে লোকমানের ছেলে মহিদুল, আলেয়া বেগমের পরিবর্তে ৯১৭ নং কার্ডে মৃত হরি শাহ’র ছেলে রাম শাহ, ৯৮১ নং কার্ডে গরীবপুরের মিজানের পরিবর্তে জগন্নাথপুরের শওকত আলির ছেলে ইসমাইল, ৯৯৪ নং কার্ডে হায়দারের পরিবর্তে নারায়নচন্দ্র এবং ৯৮৯ নং কার্ডে গরীবপুরের আতিয়ারের পরিবর্তে জন্নাথপুরের মালেকের ছেলে সাজেদুর চাল পাচ্ছেন। এ সময় তারা নতুন ও পুরাতন দুটি তালিকা সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন।




