স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে করোনার নমুনা পরীক্ষা নিয়ে যে সন্দেহ সংশয় দেখা দিয়েছে তা দেখতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উচ্চ পর্যায়ের টিম আজ যশোরে আসছে। পরীক্ষা সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয়াদি যাচাই-বাছাই করে তারা মতামত দেবেন। গত দু’দিনে নমুনা পরীক্ষার কোন রিপোর্ট স্বাস্থ্য বিভাগে আসেনি।
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার ফল এবং খুলনা মেডিকেল কলেজ ও ঢাকার ফলাফলের সাথে বেশ কিছুদিন ব্যবধান লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ নিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগেই প্রশ্ন দেখা দেয়। শুক্রবার যশোরে এক মতবিনিময় সভায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ঘটনাটি যাচাই করতে উচ্চ পর্যায়ের টিম পাঠাবার কথা বলেন। তারই প্রেক্ষিতে আজ ওই টিম আসছে।
এদিকে, গত দু’দিনে যশোরে কোন নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট আসেনি। যশোর সিভিল সার্জন অফিসের এক পরিসংখ্যানে জানা গেছে, গত ৯ মে ৮১টি ও ১০ মে ৩৩টি মোট ১শ’ ১৪টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
যশোরের সিভিল সার্জন সব নমুনা যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাগার জেনোম সেন্টারে পাঠাননি। নমুনাগুলো ভাগ করে জেনোম সেন্টারে ৩৯টি এবং খুলনা মেডিকেল কলেজে ৭৫টি পাঠিয়েছেন। অথচ, গত দু’দিনে একটি পরীক্ষার রিপোটও সিভিল সার্জন অফিসে এসে পৌঁছায়নি। ফলে, যারা নমুনা দিয়েছেন তারা নিশ্চিত হতে পারেননি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন কি-না। সিভিল সার্জন কিংবা স্বাস্থ্য বিভাগও এ ব্যাপারে নিশ্চিত নন। সঙ্গত কারণেই অনেকে যত্রতত্র চলাফেরা করছেন। এ ব্যাপারে যশোরের সিভিল সার্জনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, খুলনা বিংবা যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হতে কোন রিপোর্ট গতকাল তারা পাননি। যে কারণে তারা কোভিড-১৯ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারেননি।
জেনোম সেন্টারের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. ইকবাল কবীর জাহিদ বলেন, তিনি বর্তমানে হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। ৯ কিংবা ১০ মে নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট তারা পাঠাননি। আজ সোমবার সবগুলো রিপোর্ট তারা এক সাথে পাঠাবেন। আজ স্বাস্থ্য অধিদপপ্তর থেকে একটি উচ্চ পর্যায়ের টিম যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আসছেন। তাদের পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর রিপোর্ট দেয়া হবে।




