বাগেরহাট সংবাদদাতা॥ ঢাকার জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল থেকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে ফিরে আসা বাগেরহাটের কিশোর জিয়াদ জোমাদ্দার (১৩) ও তার পরিবারের ছয় সদস্য করোনামুক্ত। খুলনা মেডিক্যালের পিসিআর ল্যাব থেকে তাদের নমুনা রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। রবিবার (৩ মে) সকালে সিভিল সার্জন ডা. কেএম হুমায়ুন কবির এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘গত ১৩ এপ্রিল দিবাগত মধ্যরাতে সদর উপজেলার ডেমা ইউনিয়নের বড় বাঁশবাড়িয়া গ্রামের জালাল জোমাদ্দার নামে এক ব্যক্তি তার কিশোর ছেলেকে হৃদরোগের চিকিৎসা করাতে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে ছয় দিন চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় ১৯ এপ্রিল ওই কিশোরের শরীরে করোনাভাইরাসের উপসর্গ দেখা দেয়। হাসপাতাল কর্তৃপ তার নমুনা সংগ্রহ করে পরীার জন্য আইইডিসিআরে পাঠায়। কর্তৃপ ২৬ এপ্রিল ওই কিশোরকে ছাড়পত্র দিয়ে রিপোর্ট পজিটিভ হলে ঢাকার কুর্মিটোলা হাসপাতালে ভর্তি করতে বলে। আর রিপোর্ট ভালো হলে বাড়িতে যেতে বলে। কিন্তু কিশোরকে হাসপাতালে না নিয়ে পরিবার বাগেরহাটে বাড়িতে চলে আসে। পরে হাসপাতাল কর্তৃপ তার রিপোর্ট পজিটিভ পায়।’ তিনি আরও বলেন, ‘গত ২৮ এপ্রিল রাতে হৃদরোগ ইনস্টিটিউট বিষয়টি বাগেরহাট জেলা প্রশাসনকে অবহিত করে। খবর পেয়ে স্বাস্থ্য বিভাগসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তার বাড়িতে যায়। এ সময় জিহাদ জমাদ্দারসহ তার পরিবার এবং বাড়ির আশপাশের ১৪ জনের নমুনা আবারও সংগ্রহ করে খুলনা মেডিক্যালের পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়। রবিবার সকালে জিহাদসহ তার বাড়ির ছয় সদস্যের নমুনা রিপোর্ট বাগেরহাট স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে আসে। তাতে সবার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। তারা সুস্থ হয়ে গেছেন। এর আগেও ফরিদপুর থেকে করোনা নিয়ে ফেরা এক মুয়াজ্জিন সুস্থ হয়েছেন।’ সেই হিসেবে বাগেরহাটে এখন আর কোনও করোনা রোগী নেই বলে তিনি জানান।




