বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী)’র কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কমরেড নুরুল হাসান ও সাধারণ সম্পাদক কমরেড ইকবাল কবির জাহিদ এক বিবৃতিতে দেশের আমদানি সংক্রান্ত বিষয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী মানবিক ও অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের প্রত্যক্ষ প্রভাব থেকে আমরা বিচ্ছিন্ন নয়। ইতোমধ্যে আমদানি-রফতানি, ছোট মাঝারি শিল্প ও শিল্প উৎপাদনে, ব্যবসা বাণিজ্যে বড় ধরনের সংকট সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের দেশটা মূলত রফতানিনির্ভর নয় বরং আমদানি নির্ভর। সরকারের রাজস্বের প্রধান উৎস হলো আমদানি।
শুধু তৈরি মালামাল নয় অজস্র উৎপাদন ও বাণিজ্য আমদানির ওপর নির্ভরশীল বাংলাদেশে উৎপাদন হচ্ছে। কিন্তু কাঁচামাল আমদানি হচ্ছে মূলত চীন ভারতসহ অনেকগুলো দেশ থেকে। এসএমই বা ছোট মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোতে কাজ করে কয়েক লাখ শ্রমিক। এমন বহু ছোট ছোট কারখানা রয়েছে যেখানে মালিকও কাজে অংশগ্রহণ করে। এসব কারখানাতেও আমদানিকৃত কাঁচামাল ব্যবহৃত হয়। কাঁচামালের অভাব বা দাম বেড়ে গেলে দেশ চরম বিপদে পড়ে যাবে। আমদানি অব্যাহত রাখতে নিয়মিত ব্যাংকের মাধ্যমে ঋণপত্র বা এলসি খুলতে দ্রুত সহজ প্রক্রিয়া চালু করার জন্য ব্যাংকসহ আমদানির পুরো প্রক্রিয়া সচল রাখা দরকার। তা না হলে আমদানি সংকট দেখা দেবে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, এ অবস্থায় জনজীবনের সংকট ও অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে আমদানি খাতেও বিশেষ প্রণোদনা দিতে হবে। আমদানির প্রতি যে কোনো ধরনের অবহেলা দেশের অর্থনীতিতে সর্বনাশ ডেকে আনবে। আমদানির জন্য ব্যাংকের প্রচলিত কাজ দ্রুত সময় উপযোগী করতে হবে। এছাড়া রফতানির মতো আমদানিতেও রয়েছে ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। সুদের বিষয়টি বিবেচনায় আনতে হবে। রাজস্ব নির্ণয় ও আদায়ের ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা দিতে হবে। এই বিশেষ মুহূর্তে আমদানিকারকদের পাশে দাঁড়াতে হবে। বিজ্ঞপ্তি





