সাতক্ষীরা প্রতিনিধি॥ সাতক্ষীরার সদর উপজেলার ভোমরা ইউনিয়নের চৌবাড়িয়ায় করোনার উপসর্গ নিয়ে খায়রুল ইসলাম (৬০) নামের এক ইট ভাটা শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকাল ১১টায় ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ দাফনের অনুমতি দিয়েছে সাতক্ষীরা স্বাস্থ্য বিভাগ। এর আগে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) গভীর রাতে তিনি মারা যান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন হুসাইন সাফায়াত। খায়রুল ওই গ্রামের মৃত আব্দুল গফুর সরদারের ছেলে।
ভোমরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইসরাইল গাজী জানান, ইট ভাটার কাজ শেষ করে গত ৪-৫ দিন আগে তিনি চট্টগ্রাম থেকে তার নিজ বাড়ি চৌবাড়িয়ায় এসেছেন। বাড়িতে আসার পর তিনি কাশি ও পাতলা পায়খানায় আক্রান্ত হয়ে মঙ্গলবার গভীর রাতে মারা যান। সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন হুসাইন সাফায়াত জানান, ইতোমধ্যে সাতক্ষীরা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে তার স্ত্রী ও সন্তানের নমুনা সংগ্রহ করে খুলনা পিসিআর ল্যাবে পাঠানোর প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। এছাড়া, তার বাড়ি লকডাউন করে সেখানে লাল পতাকা টানানো হয়েছে। সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. জয়ন্ত সরকার জানান, দেরিতে মৃত্যুর খবর পাওয়ায় নমুনা সংগ্রহ না করেই মেডিক্যাল টিম বুধবার সকাল ১১টায় ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ দাফনের অনুমতি দিয়েছে। সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দেবাশীষ চৌধুরী জানান, খায়রুল ইসলামের বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। তার স্ত্রী ও সন্তানের নমুনা সংগ্রহ করে খুলনা পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।





