স্টাফ রিপোর্টার চৌগাছা (যশোর) ॥ যশোরের চৌগাছায় আরও চারজনের শরীরে করোনা পজেটিভ ধরা পড়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে তিনজন চৌগাছা ৫০ শয্যা হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগের সেবিকা ও অপরজন হলেন ডিভাইন গার্মেন্টেসের মহিলা কর্মী। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ নিয়ে উপজেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাড়ালো ১১ জনে, যা যশোর জেলার মোট আক্রান্তের ২৫ শতাংশ বলে জানা গেছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ মার্চ উপজেলার পাশাপোল ইউনিয়নের বানুড়হৃদা গ্রামের এক গর্ভবতী নারী জরুরী প্রসূতি বিভাগে ভর্তি হয়। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকের সন্দেহ হলে ওই নারীর দেহ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠায় এবং তার শরীরে করোনা ভাইরাস ধরা পড়ে। পরবর্তীতে হাসপাতালে ওই নারীর সংস্পর্শে যারা এসেছিলেন তাদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হলে তারমধ্য হতে ৩ জন নার্সের শরীরে করোনা পজেটিভ ধরা পড়ে। এ দিকে চৌগাছার ডিভাইন গ্রুপের দুইটি পোশাক কারখানা রবিবার সকাল থেকে খুলে দেওয়া হয়। করোনা ভাইরাস আক্রন্ত ওই নারী কর্মী পোশাক কারখানায় ঢোকার সময় কারখানায় থাকা স্কানার মেশিনে তার অস্বাভাবিক জ¦র ধরা পড়ে।এ সময় কর্তৃপক্ষ তাকে ভিতরে প্রবেশ করতে নিষেধ করেন এবং পরীক্ষা করার কথা বলেন। পরবর্তীতে ওই গার্মেন্টর্স কর্মীর নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হলে তার শরীরেও করোন পজিটিভ ধরা পড়ে। আক্রান্ত ওই গার্মেন্টস কর্মী উপজেলার কয়ারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ লুৎফুন্নাহার বলেন, পাশাপোল ইউনিয়নের বানুড়হৃদা গ্রামের গর্ভবতী নারী জরুরী প্রসূতি বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসেন, কিন্তু সে করোনা উপসর্গের বিষয়টি গোপন রাখেন। তার সংস্পর্শে আসায় হাসপাতালের তিন নার্স করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্ত অপরজন হলেন ডিভাইন গার্মেন্টেসের এক নারী কর্মী বলে তিনি জানান। এ নিয়ে গত এক সপ্তাহে উপজেলাতে মোটা ১১ জন ব্যক্তির শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হল।





