আসিফ কাজল, ঝিনাইদহ ॥ ঝিনাইদহে করোনা রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। শনিবার দুই জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হওয়ার পর রবিবার নতুন করে এক চিকিৎসকসহ আরও ৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ঝিনাইদহ শহরের গীতাঞ্জলী সড়কের এক গৃহবধূ ও পোড়াহাটী ইউনিয়নের এক যুবক, শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পরিসংখ্যানবিদ, মহেশপুরে একজন স্বাস্থ্যকর্মী, কালীগঞ্জে একজন ডেন্টাল সার্জনসহ দুইজন ও কোটচাঁদপুরে ২১ বছরের এক যুবক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।
এই নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৯জন। ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন অফিসের করোনা ইউনিটের মেডিকেল অফিসার ডা. প্রসেনজিৎ বিশ্বাস পার্থ রবিবার সকালে গণমাধ্যমকর্মীদের এই তথ্য জানান। এদিকে সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে করোনার উপসর্গ নিয়ে শৈলকুপার গোলকনগর গ্রামের আব্দুল গফুরের প্রতিবন্ধী ছেলে শিপনের (১৪) মৃত্যু হয়েছে। তার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য যশোরে পাঠানো হয়েছে।
সদর হাসপাতালের আরএমও ডা. অপূর্ব কুমার জানান, কিশোরটির শ্বাসকষ্ট ও সর্দিজ্বর ছিল। ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন অফিসের করোনা ইউনিটের মেডিকেল অফিসার ডা. প্রসেনজিৎ বিশ্বাস পার্থ জানান, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রবিবার সকালে ১৪ টি নমুনার ফলাফল পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৭টি পজিটিভ এসেছে। তিনি জানান, আক্রান্তদের শারীরিক অবস্থা দেখে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শৈলকুপা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. রাশেদ আল মামুন জানান, শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পরিসংখ্যানবিদ আক্রান্ত হয়েছেন। তার রিপোর্ট সকালে হাতে পেয়েছি। হাসপাতালের বহির্বিভাগে সেবা আপাতত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ওই পরিসংখ্যানবিদের বাড়ি ঝিনাইদহ শহরের চাকলাপাড়ায় বলে জানা গেছে। ঝিনাইদহ সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সাজ্জাদ হোসেন জানান, শনিবার জেলায় প্রথম ধরা পড়া দুই করোনা রোগীর মধ্যে একজন ছিল ঝিনাইদহ শহরের উপশহরপাড়ার এক নারী। তার অবস্থা ভাল। তিনি বাসায় আছেন। ওই নারীর শরীরের করোনার কোনো উপসর্গই নেই। তারপরও তার করোনা রিপোর্ট পজেটিভ এসেছে।





