কিম জং উনের তিন রোগের তথ্য নিউইয়র্ক পোস্টে প্রকাশ

0

লোকসমাজ ডেস্ক॥ উত্তর কোরিয়ার সাবেক সর্বোচ্চ নেতা কিম জং ইলের মৃত্যুর অনেক দিন পর খবর পায় বিশ্ব। সম্প্রতি তারই ছেলে দেশটির বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের ‘মরদেহের’ ছবি অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। চীনের একটি বিশেষজ্ঞ দল কিমের চিকিৎসার জন্য তাদের দেশ ছেড়েছে। এতেই উনের মৃত্যুর গুজব তীব্র হচ্ছে। মৃত্যুর বিষয় নিশ্চিত না হলেও তার তিনটি রোগের তথ্য জানা গেছে।
নিউইয়র্ক পোস্টের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, পরিবার থেকে প্রাপ্ত তিনটি রোগ কিম জং উনের শরীরে বসবাস করছে। এগুলো হচ্ছে হার্টের সমস্যা, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ। তার বাবা কিম জং ইল বেশ কয়েকবার হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়েছিলেন।
ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়, কিম জং উনের শারীরিক উচ্চতা পাঁচ ফুট ছয় ইঞ্চি। তার শরীরের ওজন তিনশ পাউন্ডের বেশি। উনের ধূমপানের স্বভাব রয়েছে। প্রতিদিন অন্তত চার প্যাকেট সিগারেট লাগে তার। ওয়াইনসহ অনেক অস্বাস্থ্যকর খাবার পছন্দ করেন তিনি।
কিম জং উন প্রতিবছর ৩০ মিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ মদপানের পেছনে ব্যয় করেন বলে ছয় বছর আগে জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়। তার শারীরিক গঠন ঠিক রাখতে সার্জারির সহায়তা নেয়া হয় বলে দাবি করে মার্কিন গণমাধ্যমগুলো।
৩৬ বছর বয়সী কিম জং উন ২০১১ সালে উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা হন। তার বাবা কিম জং ইল ৭০ বছর বয়সে হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যুবরণ করেন। উনের দাদা কিম ইল সাং ১৯৯৪ সালে হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যুবরণ করেন। বাবার ইল ধূমপানসহ দীর্ঘদিন ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন। তার মদপানেরও স্বভাব ছিল। ভোজন রসিক হিসেবে বেশ খ্যাতি ছিল তার।
উত্তর কোরিয়ায় সর্বোচ্চ নেতাদের মৃত্যুর গুজব আগেও ছড়িয়েছে। ২০০৭ সালে কিম জং ইলের মৃত্যুর গুজব ছড়ায়। কিন্তু সবাইকে অবাক করে ছোট চুলে হাজির হন ইল। ২০০৮ সালে হার্ট অ্যাটাক করা কিম জং ইলকে চিকিৎসা দেন ফ্রান্সের চিকিৎসকরা। হার্ট অ্যাটাকের তিন বছর পর ২০১১ সালে তার মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। ধারণা করা হয়, তিন বছর আগেই ইলের মৃত্যু হয়েছে।