লোকসমাজ ডেস্ক॥ অর্থ সঙ্কটে আছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড। করোনা পরিস্থিতি সামলাতে যেখানে অনেক বোর্ডই হিমশিম খাচ্ছে, সেখানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ অর্থ সঙ্কটে খাবি খাচ্ছে জানুয়ারি থেকেই। ফলে আঞ্চলিক ক্রিকেটাররা তো বটেই, ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের খেলোয়াড়রাই ম্যাচ ফি পাচ্ছেন না জানুয়ারি থেকে। আর এই সঙ্কটের জন্য প্রাথমিকভাবে দায়ী করা হচ্ছে ২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজে আয়োজিত বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার সঙ্গে খেলা সিরিজকে! ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রধান নির্বাহী জনি গ্রেভের দাবি, ২০১৮ সালে শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশকে আতিথ্য দেওয়ার কারণেই এই সঙ্কটে পড়তে হয়েছে ক্যারিবীয় ক্রিকেট বোর্ডকে! সেটি কীভাবে? গ্রেভ বলেছেন, ‘আমরা যখন শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশকে নিয়ে সিরিজ করি, তাতে আমাদের ক্ষতি হয়েছে ২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। সেই সময় মিডিয়া স্বত্বাধিকারীরা ওই সফর বাবদ আমাদের এক মিলিয়ন ডলারেরও কম অর্থ দিয়েছিল।’
সেই জানুয়ারিতে আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এরপর ফেব্রুয়ারি-মার্চে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে হয়েছে তিনটি ওয়ানডে ও দুটি টি-টোয়েন্টি। এ দুটির ম্যাচ ফি পাননি ক্রিকেটাররা। অবশ্য ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ জানিয়েছে, নিয়মিত বেতন-ভাতা তারা ঠিকই পরিশোধ করতে পারছেন। কিন্তু অর্থ সঙ্কট থাকায় দেওয়া যাচ্ছে না ম্যাচ ফি। সঙ্কটের এই অবস্থার একটা চিত্র তুলে ধরেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেশাদার ক্রিকেটারদের সংগঠন ডাব্লিউআইপিএর সাধারণ সম্পাদক ওয়েইন লুইস, ‘মাসিক বেতন ও ভাতা সব ঠিক মতোই দেওয়া গেছে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আঞ্চলিক প্রথম শ্রেণির প্রতিযোগিতায় যারা খেলছেন, তাদের ম্যাচ ফি দেওয়া হচ্ছে না। আট রাউন্ড খেলা হয়ে যাওয়ার পরেও।’ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা মেয়েদের দলটিও চার ম্যাচের ফি পাননি। ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রধান নির্বাহী জনি গ্রেভ অবশ্য বকেয়া দ্রুত পরিশোধ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন, ‘আর্থিকভাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ অনেক কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এখনও অনেক অর্থ বকেয়া আছে, আমরা গুরুত্ব বিচারে এই অর্থ পরিশোধের চেষ্টা করছি।’





