শার্শায় একজন কমিউনিটি উপ-স্বাস্থ্য সহকারী করোনায় আক্রান্ত

শার্শা (যশোর) সংবাদদাতা যশোরের শার্শায় এই প্রথম ১ জন করোনা আক্রান্ত রোগী সনাক্ত হয়েছে। আক্রান্ক ব্যাক্তি শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার। সে শার্শর কামারবাড়ী মোড়ের বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে লক্ষনপুর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের দায়িত্বে আছে। এ ঘটনার পর শার্শার স্বাস্থ্য দপ্তরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
সুত্রে জানাগেছে, লক্ষনপুর স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নিয়তি বড়াল। তিনি করোনাভাইরাস পরিক্ষার জন্য গত ৮ ফেব্রুয়ারী থেকে গত আড়াই/তিন মাস ধওে বেনাপোল ইমিগ্রেশনে কাজ করছে। সর্বশেষ তিনি গত ১৭ এপ্রিল শুক্রুবারও বেনাপোল ইমিগ্রেশনে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া তিনি প্রতিদিন লক্ষনপুর স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার হিসেবে রোগী দেখেন। এ অবস্থায় তিনি তার শরীরে জ্বর জ্বর অনুভব করছিলেন। বিষয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা জানার পর নিয়তি বড়ালের রক্ত পরীক্ষার জন্য বলেন এবং ছুটির আবেদন করতে বলেন। সূত্রে আরও জানা গেছে, উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নিয়তি বড়াল মঙ্গলবার সকালে নাভারন হাসপাতালে আসেন। হাসপাতালে সেঅবাধে সব মেডিকেল অফিসারদেও রুমে রুমে কাজ কওে বেড়ান। এরপর শার্শা স্বাস্থ্য বিভাগ তার নমুনা সংগ্রহ করে পরীার জন্য যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ব বিদ্যালয়ে পাঠান। বুধবার সকালে একজনের পজেটিভ রিপোর্ট আসে। তিনি আক্রান্ত ব্যাক্তি শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার। নিয়তি বড়াল কে এখন তার বাড়িতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান তার বাড়ি লক ডাউন করে দিয়েছে। এ ঘটনায় শার্শা কামারবাড়ি এলাকায় চরম আতংক ছড়িয়ে পড়েছে।নাম না প্রকাশ করার শর্তে নাভারন হাসপাতালের একজন ডাক্তার জানা, না জানি নিয়তি বড়াল এ পর্যন্ক কত মানুষের মধ্যে এ মরন ব্যাধি করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে। এ ঘটনার পর নাভারন হাসপাতালে ডাক্তার ও স্টাফদেও মধ্যে ভয় ও আতংক বিরাজ করছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ ইউসুফ আলী জানান, গতকাল পর্যন্ত মোট ৩৪ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরিক্ষার পাঠানো হয়েছিলো। বুধবার সকালে তাদের প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একজনের পজেটিভ এসেছে।

ভাগ