লোকসমাজ ডেস্ক॥ বলের ঔজ্জ্বল্য ধরে রাখতে মুখের লালা ব্যবহার করে থাকেন বোলাররা। তবে এটা করার ফাঁকেই বল টেম্পারিংয়ের কাজটা সেরে ফেলেন অনেকে। দুই বছর আগে কেপটাউন টেস্টেই যেমন শিরীষ কাগজ দিয়ে বল বিকৃতির চেষ্টা চালান স্মিথ-ওয়ার্নাররা। লালা ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে ভাবতে হবে বলে মনে করেন স্মিথদের পূর্বসূরি জেসন গিলেস্পি। লালা ব্যবহারে সতর্কতার আরেকটি বড় কারণ হলো করোনা ভাইরাস। হাঁচি, কফ, থুতুর মাধ্যমে যা ছড়াচ্ছে। খেলোয়াড়দের সুরক্ষার বিষয়টি ভেবেও এটি ব্যবহারের অভ্যাসে লাগাম টানার প্রসঙ্গ উঠেছে। বল শাইনিংয়ে লালা ব্যবহার নিয়ে এবিসি গ্র্যান্ডস্ট্যান্ডকে সাবেক অজি পেসার গিলেস্পি বলেন, ‘এটা অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন না। এটা সত্যি সত্যিই ভাবার বিষয়। এমন হতে পারে প্রতি ওভার শেষে বল যত্ন করার সুযোগ পাবেন খেলোয়াড়েরা, আর সেটি করতে হবে আম্পায়ারের সামনে। শুধু তখনই এ সুযোগ পাওয়া যাবে। শুধু ঘাম ব্যবহার করা যাবে? আমি জানি না। তবে এ নিয়ে কথা উঠবে বলেই মনে করি।’ অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৭১ টেস্টে ২৫৯ উইকেট নিয়েছেন পেসার গিলেস্পি। তবে টেস্টে অবিস্মরণীয় একটি ডাবল সেঞ্চুরি রয়েছে তার। সেটি বাংলাদেশের বিপক্ষে। ২০০৬ সালের আজকের দিনে চট্টগ্রাম টেস্টে ইতিহাস গড়েন গিলেস্পি। নাইট ওয়াচম্যান হিসেবে নেমে খেলেন সর্বোচ্চ ইনিংস। ৪২৫ বলে ২০১* রান করেন তিনি। ২৬ চারের সঙ্গে ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন ২টি। সঙ্গে মাইক হাসির ১৮২ রানের সুবাদে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ১৯৭ রানের জবাবে অস্ট্রেলিয়া তোলে ৪ উইকেটে ৫৮১ রান। ৩৮৪ রান পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করা বাংলাদেশ অলআউট হয় ৩০৪ রানে। তাতে এক ইনিংস ও ৮০ রানে হারিয়েছিল রিকি পন্টিংয়ের দল।





