‘অভয়নগরে আবিদের কাছ থেকে উদ্ধার পিস্তল দিয়ে ছাত্রলীগ নেতা আকাশকে গুলি করা হয়’

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোরের অভয়নগরে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ ফরিদ জাহাঙ্গীরের ছেলে শাহ আবিদ কারমানের কাছ থেকে উদ্ধার পিস্তল দিয়ে ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন আকাশকে গুলি করা হয়েছিলো। সোহেল আরমান তুর্য নামে ছাত্রলীগের আরেক নেতা তাকে গুলি করেছিলেন। অস্ত্রসহ শাহ আবিদ কামরান আটকের পর আদালতে দেয়া তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এমন তথ্য মিলেছে।
সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, শাহ আবিদ কামরান গত ১৪ এপ্রিল পিস্তল-গুলিসহ র‌্যাবের হাতে আটকের পর তার বিরুদ্ধে অভয়নগর থানায় অস্ত্র আইনে মামলা হয়। পরদিন ১৫ এপ্রিল তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে তিনি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। জবানবন্দিতে তিনি আদালতকে জানিয়েছেন, গত ১০ মার্চ অভয়নগর আওয়ামী লীগ অফিসে কথা কাটাকাটির জের ধরে আকাশকে গুলি করেন তুর্য। তিনি (তুর্য) ছাত্রলীগের রাজনীতি করেন। বুইকারা গ্রামের সাত্তার মিস্ত্রি তার পিতা। ওই ঘটনার পর তুর্য তার (শাহ আবিদ কারমান) কাছে ওই অস্ত্রটি রেখে দেন। এ সময় তুর্য তাকে এ কথা বলেন যে, অস্ত্রটি বাপ্পি নামে এক যুবকের। তিনি (বাপ্পি) যশোরের কোর্টে মহুরির কাজ করেন। দুই/একদিন পর তিনি (তুর্য) অস্ত্রটি নিয়ে যাবেন। শাহ আবিদ কামরান আদালতকে আরো জানিয়েছেন, তুর্য’র দেয়া অস্ত্রটি পরে তিনি তার কাছের লোক হিসেবে পরিচিত মাহাবুবের কাছে রেখেছিলেন। এরপর ১৪ এপ্রিল বাপ্পি মহুরি তার কাছে ফোন করে অস্ত্রটি দিতে বলেন। এ সময় তিনি (বাপ্পি মহুরি) তাকে এ কথা বলেন, একজনের কাছে টাকা পাবেন। এই টাকা উদ্ধারের জন্য অস্ত্রের প্রয়োজন। এ কথা শুনে তিনি (শাহ আবিদ কামরান) মোটরসাইকেলে করে বাপ্পির কাছে অস্ত্র দিতে যাচ্ছিলেন। কিন্তু তিনি পথে র‌্যাবের হাতে আটক হয়ে যান।

ভাগ