জি.এম. মিজানুর রহমান, পাইকগাছা (খুলনা) ॥ পাইকগাছার মৎস্য মার্কেটগুলো শর্তসাপেক্ষে খোলার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সোমবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে জানা যায়। করোনাভাইরাস মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসন পাইকগাছায় মৎস্য আড়ৎগুলোতে বেচাকেনা বন্ধ করে দেয়। ফলে পাইকগাছা, কপিলমুনি, শামুকপোতা, বাঁকা বাজারসহ সব মার্কেট বন্ধ থাকে। যে কারণে চিংড়ি চাষি, মৎস্য চাষি এবং ব্যবসায়ীরা পড়েন চরম বিপাকে। উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ১৭শ ৭৫ হেক্টর জমিতে ৩ হাজার ৯৪০টি চিংড়ি ঘের রয়েছে। এসব ঘেরের মাছ বিদেশে রফতানি করে সরকার প্রতি বছর কোটি কোটি টাকার রাজস্ব পেয়ে আসছে। কিন্তু মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে চলতি বছর রফতানির বিষয়টি অনিশ্চিৎ হয়ে পড়ছে বলে মৎস্য ব্যবসায়ীরা জানান। এদিকে দেশিয় পর্যায়ে বাজারজাত বন্ধ থাকায় উৎপাদিত চিংড়ি নিয়ে চাষিরা পড়েছেন বিপাকে।
পাইকগাছা মৎস্য আড়ৎদারি সমিতির সভাপতি আব্দুল জব্বার জানান, মার্কেট বন্ধ থাকায় এ খাতের সাথে জড়িত সকলেই অর্থনৈতিক ভাবে মারাত্মক তিগ্রস্ত হচ্ছেন। এভাবে চললে এলাকায় হাহাকার পড়ে যাবে। উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা পবিত্র কুমার দাস বলেন,এ ব্যাপারে সোমবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুলিয়া সুকায়নার সভাপতিত্বে জরুরি সভায় শর্ত সাপেে মার্কেট চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। ওই সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান বাবু। উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান গাজী মোহাম্মদ আলী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরাফাতুল আলম, মৎস্য কর্মকর্তা পবিত্র কুমার দাস, ওসি এজাজ শফীসহ আরও অনেকে। সভায় সিদ্ধান্ত হয়, চিংড়ি বা অন্যান্য মাছ বিক্রয় হবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে, বহনকারী থাকবে একজন, কোনপ্রকার ভিড় করা যাবে না, মৎস্য পরিবহন ট্টাক, নসিমন বা পিকআপে কোনপ্রকার লোক বহন করা যাবে না।




