আলুর বস্তা নন রাকিতিচ!

লোকসমাজ ডেস্ক॥ বলতে গেলে বিশ্বজুড়েই করোনা প্রতিরোধে ফুটবলাররা ঘরবন্দি, ক্লাবের কোচিং স্টাফের নির্দেশনা মেনে যার যার মতো অনুশীলন করছেন ঘরেই। কিন্তু মুখ তো খোলা রাখাই যায়। অনেকেই নানা বিষয়ে কথা বলছেন সংবাদমাধ্যমে, কখনও তা ইতিবাচক, কখনও নেতিবাচক। বার্সেলোনা মিডফিল্ডার ইভান রাকিতিচের মুখে যেমন শোনা গেল নেতিবাচক কথা। বার্সেলোনা গত বছর থেকে তার ওপর যে আচরণ করছে তা নিয়ে ক্লাবকে একেবারে ধুয়ে দিয়েছেন ৩২ বছর বয়সী ক্রোয়াট।
২০১৪ সালে বার্সেলোনায় এসেই কাতালান ক্লাবটির অনেক সাফল্যের সহযাত্রী হয়েছেন রাকিতিচ। কিন্তু চলমান ২০১৯-২০ মৌসুমের জন্য ডাচ মিডফিল্ডার ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং দলে আসতেই বদলে যায় ছবিটা। এ পর্যন্ত ২৭টি লিগ ম্যাচের মাত্র ১০টিতে প্রথম একাদশে খেলতে পেরেছেন। তাকে যে জোর করে ক্লাবছাড়া করার চেষ্টা চলছে সেটি তিনি বোঝেন। তাই স্পেনের মুন্দো দেপোর্তিভো পত্রিকার কাছে বলেছেন, তিনি ‘আলুর বস্তা’ নন, ‘পরিস্থিতিটা আমি বুঝতে পারছি, কিন্তু আমি তো আলুর বস্তা নই যে আমার সঙ্গে আপনি যা খুশি তাই করবেন। আমি এমন জায়গায় থাকতে চাই যেখানে আমি ভালোবাসা ও সম্মান পাবো। এখানেই যদি সেটা পাই, খুশি হবো। আর যদি অন্য কোথাও পাই আমিই সেখানে যাওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবো, অন্য কেউ নয়।’ গতবছর বার্সেলোনা তাদের সাবেক ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড নেইমারকে ফিরিয়ে আনার জন্য উঠেপড়ে লেগেছিল। এমনও শোনা গিয়েছিল যে নেইমারকে আনতে যোগ্য ট্রান্সফার ফির সঙ্গে রাকিতিচকে দেওয়া হবে প্যারিস সেন্ত জার্মেইকে, কিন্তু রাকিতিচ রাজি হননি। মুন্দো দেপোর্তিভোর কাছে সেটিা সত্যি বলে স্বীকার করে বলেছেন, তার চুক্তির মেয়াদটা তিনি পূর্ণ করতে চান যা শেষ হবে আগামী বছর, ২০২১ সালে। আর এই মেয়াদ পূর্ণ হলে রাকিতিচ হয়ে যাবেন ‘ফ্রি এজেন্ট’ এবং তার বিদায়ে কোনও ট্রান্সফার ফি পাবে না বার্সেলোনা। নিয়মিত প্রথম একাদশে খেলার সুযোগ পাচ্ছেন না, এতে নিজের অসন্তোষ আড়াল করেননি ২০১৮ বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়ার হয়ে ফাইনাল খেলা রাকিতিচ, ‘ আমি বিস্মিত এবং বুঝতে পারছি না ব্যাপারটা কী। আমি খেলতে পারছি না এবং ফল ভালো হচ্ছে না, এটা আমাকে কষ্ট দেয়। এ মৌসুমের অর্ধেকটা চলে গেছে যা আমার কাছে অস্বস্তিকর এবং বিস্ময়ের। তবে আমি আশা করবো আমার চুক্তির শেষ বছরটা আমি শেষ করতে পারবো।’

ভাগ