রাস্তায় বাজারে অবাধে চলাচল, আড্ডাবাজি ঘুড়ি উৎসব : পুলিশ দেখলে হাওয়া

স্টাফ রিপোর্টার ॥ সরকারি নির্দেশনা অমান্যকারী মানুষের দৃষ্টি পুলিশের দিকে। তাদের উপস্থিতি টের পেলেই পালাচ্ছে তারা। সামাজিক দূরত্ব রক্ষা ও জনসমাগম বন্ধে সরকারের কঠোর ভূমিকার পরও মানুষের সচেতনতার অভাবে তা কার্যকর হচ্ছে না। রাস্তায় অবাধে চলাচল, আড্ডাবাজি, ঘুড়ি উৎসব, খেলাধুলায় মেতে থাকছে সব বয়সের মানুষ।
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। অবস্থায় শনিবার থেকে সরকার কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে। নির্দেশনা অনুযায়ী রাস্তায় রিকশা, ইজিবাইক এবং মানুষের চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একান্ত প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হতে পারবে না। এ নির্দেশ অমান্যকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণেরও নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কিন্তু কে শোনে কার কথা। রাস্তায় লোকজন অবাধে চলাচল চলছে। ২/৩ জন যাত্রী নিয়ে চলছে মোটরসাইকেল, রিকশা, ভ্যান। এক সাথে একাধিক লোক দাঁড়িয়ে গল্প, আড্ডাবাজি চলছে সমানতালে। সামাজিক দূরত্ব রক্ষা হচ্ছে না কাঁচাবাজারে। পাড়া-মহল্লায় গড়ে ওঠা ‘বউ বাজার’গুলোতে আগের মতোই ভিড় হচ্ছে। মেইন রোডের বাইরে সব ধরনের দোকানে বেচাকেনা চলছে। শিশু-কিশোররা মেতে উঠেছে খেলায়, ঘুড়ি উৎসবে। এ দৃশ্য অধিকাংশ পাড়া-মহল্লা ও রাস্তার। মানুষ দূরত্ব রক্ষা ও সরকারি নির্দেশনা না মেনে পুলিশকে পাহারা দিচ্ছে। কখন কোন রাস্তায় পুলিশ প্রবেশ করে সেদিকেই তাদের দৃষ্টি। তাদের উপস্থিতি টের পেলেই রাস্তা বাজার ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। পালিয়ে যাচ্ছে। কিছুক্ষণের জন্যে করোনার ভয়াবহতা ও সরকারি নির্দেশনার আলামত দেখা যাচ্ছে। পরক্ষণে যথা পূর্বং তথা পরং অবস্থা।
অবশ্য, করোনা ভাইরাসরোধে সরকারি নির্দেশনা কার্যকরে পুলিশ কঠোর ভূমিকা পালন, তারা একেকটি এলাকায় বহুবার টহল দিচ্ছে এবং জরিমানা করছে। জনবল সংকটের কারণে তাদের পক্ষে এক এলাকায় সার্বক্ষণিক অবস্থান করা সম্ভব হচ্ছে না। এ সুযোগটিই গ্রহণ করছে অসচেতন মানুষ।

ভাগ