যশোরে পর্যাপ্ত পিপিই মজুদ থাকলেও সবাই পাচ্ছেন না

স্টাফ রিপোর্টার॥ যশোরে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসাসেবায় পার্সোনাল প্রটেকশন ইকুইভমেন্ট (পিপিই)র কোন সংকট নেই। যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য বিভাগ মিলে প্রায় ৭ হাজার পিপিই মজুদ রয়েছে। অথচ, সবাই পিপিই পাচ্ছেন না। যশোরের সিভিল সার্জন অফিসর এক পরিসংখ্যানে জানা যায়, যশোর সদর বাদে ৭টি উপজেলায় ৭টি সরকারি হাসপাতাল রয়েছে। এ সকল হাসপাতালের চিকিৎসক, সেবিকা, ও কর্মচারীদের সমন্বয়ে গঠন করা হয়েছে মেডিকেল টিম। সিভিল সার্জন অফিসসহ উপজেলা হাসপাতালগুলোতে মোট চিকিৎসক আছেন ৩শ’ ২ জন। এর ভেতর যশোর মেডিকেল কলেজে রয়েছে ১শ’ ৯ জন চিকিৎসক। উপজেলা হাসপাতালে রয়েছেন ৯৩ জন চিকিৎসক। মোট সেবিকার সংখ্যা ৩শ’ ২৫ জন। যার মধ্যে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে কর্মরত সেবিকার সংখ্যা ১শ’ ৮৯ জন। চিকিৎসক রয়েছে ৪১ জন। চিকিৎসক সেবিকা বাদে জেলায় তৃতীয় ও ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী রয়েছেন ৮শ’ ৮৬ জন। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে তারা শঙ্কা নিয়ে কাজ করছেন। সবাই পিপিই পাচ্ছেন না। কার দেহে করোনাভাইরাস আছে আর কার দেহে নেই তা কেউই নিশ্চিত নন। তাই এক অজানা আতঙ্কের মধ্যে তারা সময় কাটাচ্ছেন। পিপিই না পেয়ে অনেকে তাদের দায়িত্ব পালনে অবহেলা করছেন। অথচ, জেলা স্বাস্থ্য বিভাগে ৩ হাজার ৮শ’ ও যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ৩ হাজার মিলে মোট ৬ হাজার ৮শ’ পিপিই মজুদ রয়েছে। এ ব্যাপারে সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন জানান, আতঙ্কিত হতে পারে। তবে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বা সন্দেহজনক রোগীদের সেবায় সবাই কাজ করছেন। মেডিকেল টিমে যারা করোনা সংক্রান্ত চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন কেবল তারাই পিপিই পাচ্ছেন। তবে পিপিই’র সংকট নেই।
অপরদিকে, যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালের আরএমও ডা. মো. আরিফ আহমেদের সাথে আলাপ করলে তিনি বলেন, তাদের ৩ হাজার পিপিই মজুদ রয়েছে। সামনে পরিস্থিতি ভয়াবহ হলেও হতে পারে তখন কি হবে। এ জন্য আপাতত সবাইকে দেয়া হচ্ছে না। যারা করোনা ওয়ার্ড ও ফু কর্নারে চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত কেবল তারাই পাচ্ছেন পিপিই। সাধারণ জায়গায় যারা কর্মরত তাদের আপাতত দেয়া হচ্ছে না। পরিস্থিতি বুঝে বিবেচনা করা হবে।

ভাগ