ল্যাবস্ক্যান ও কুইন্স ছাড়া কোন বেসরকারি হাসপাতলে তাপমাত্রা পরিমাপ যন্ত্র নেই

স্টাফ রিপোর্টার॥ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের তাপমাত্রা পরিমাপের যন্ত্র যশোরে ল্যাবস্ক্যান মেডিকেল সার্ভিসেসসহ দু’টি প্রতিষ্ঠান ছাড়া কোন বেসরকারি হাসপাতালে নেই।
এদিকে, গত সোমবার বন্ধ থাকা সকল বেসরকারি হাসপাতাল কিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার খোলা হলেও সব চিকিৎসক তাদের চেম্বার করছেন না। বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল, কিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার ঘুরে এবং কর্মকর্তাদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, অসুস্থদের চিকিৎসা সেবার কথা বিবেচনায় এনে এ সকল হাসপাতাল, কিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার গত সোমবার খোলা হয়েছে। চিকিৎসকগণও রোগীর চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করেছেন। তবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সংখ্যা কম। জুনিয়র কনসালটেন্ট, সিনিয়র মেডিকেল অফিসারদের সংখ্যা বেশি যারা চেম্বারে বসছেন।
এদিকে, যশোরের বেসরকারি হাসপাতাল, কিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার খোলা হলেও সব প্রতিষ্ঠানে করোনাভাইরাসের আক্রান্ত রোগীর শরীরের উচ্চ তাপমাত্রা নিরূপণ করার প্রাথমিক যন্ত্র, থার্মাল টেম্পারেচার নেই। যশোরের খ্যাতনামা বেসরকরি প্রতিষ্ঠান ‘ল্যাবস্ক্যান মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেডে রয়েছে থার্মাল টেম্পারেচার যন্ত্র। যখন দেশে করোনাভাইরাসে শুরু হয়, তখন থেকেই ল্যাবস্ক্যান মেডিকেল সার্ভিসেস লিঃ-এর এমপি অনিন্দ্য ইসলাম অমিত থার্মাল টেম্পারেচোর যন্ত্র আনেন। একই সাথে প্রতিষ্ঠানের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তায় পার্সোনাল প্রটেকশান ইকুইভমেন্ট (পিপি)সহ আত্মরক্ষার সব জিনিসপত্র প্রদান করেন। প্রতিষ্ঠানের প্রবেশ মুখে সকলের শরীরে জীবাণুনাশক ¯েপ্র করার পর ভেতরে ঢুকতে হচ্ছে। এই প্রতিষ্ঠানটি কোনদিন বন্ধ হয়নি। এ দৃষ্টান্ত ইবনেসিনা ও ল্যাব এইড লিঃ (কনসালটেশন) সেন্টার ছাড়া অন্য কোন প্রতিষ্ঠানে নেই।
যশোরের বেসরকারি পর্যায়ের বড় স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান কুইন্স হাসপাতাল (প্রাইভেট) লিমিটেডে গত সোমবার থেকে রোগীদের শরীরের উচ্চ তাপমাত্রা নির্ণয় করার জন্য থার্মাল টেম্পারেচার যন্ত্র চালু করেছে। একই সাথে চালু করা হয়েছে রোগীর শরীরে ¯েপ্র করার প্রক্রিয়া। হাসপাতালের এমডি হুমায়ুন কবির কবু জানিয়েছেন, এ মেশিনের প্রকৃত মূল্য ছিল ৫/৬ হাজার টাকা। বর্তমানে মূল্য বেড়ে গেছে। ১৫ হাজার টাকা দিয়ে থার্মাল টেম্পারেচার কিনতে হয়েছে। এর বাইরে অন্যান্য বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার থার্মাল টেম্পারের মেশিন ছাড়াই চলছে।

ভাগ