হোটেল শ্রমিকদের রেশনিংয়ের দাবি

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে গত ২৬ মার্চ থেকে সারাদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণায় কার্যত দেশ ‘লকডাউন’ অবস্থায় রয়েছে। যা আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ অবস্থায় ৫ এপ্রিল রবিবার সরকার ৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। তিনটি ভাগে এই প্যাকেজ-এর টাকা স্বল্পসুদে ঋণ হিসেবে বিতরণ করা হবে বলে বলা হয়েছে। বিদ্যমান করোনা ভাইরাসজনিত পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য মন্দা মোকাবিলায় এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এক্ষেত্রে শিল্প মালিক, ব্যবসায়ী (ক্ষুদ্র ও মাঝারি) সকলেই এর আওতায় পড়বে। কিন্তু এর আওতায় নেই ২৫ লাখ শ্রমিকের হোটেল সেক্টর বঞ্চিত। হোটেল শ্রমিকদের রক্ষায় সরকার তথা শ্রম মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা না মেনে হোটেল মালিকরা শ্রমিকদের বেতন, খাওয়ার ব্যবস্থা ও পাওনাদি না দিয়ে সকল হোটেল প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে। এ ঘটনায় শ্রমিকদের থাকা ও খাওয়ার সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে। ওই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ হোটেল রেস্টুরেন্ট সুইটমিট শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি আব্দুল খালেক ও সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার এক যুক্ত বিবৃতিতে অবিলম্বে হোটেল শ্রমিকদের সরকার কর্তৃক প্রণোদনা প্রদান, থাকা-খাওয়া ব্যবস্থা, সবেতনে ছুটি ও পূর্ণাঙ্গ রেশনিংয়ের ব্যবস্থা করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে যথাযথ কার্যকরি পদক্ষেপের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। বিজ্ঞপ্তি

ভাগ